বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য এখনকার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে সহজ হয়ে গেছে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে অস্ট্রেলিয়া ফেভারিট হলেও, নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে যেভাবে ভারতকে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে ওঠার জন্য সময়ের বিষয় মনে হচ্ছিল, এখন তাদের জন্য ফাইনালে ওঠার পথ অনেক কঠিন হয়ে গেছে।
ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৩-০ ব্যবধানে ভারতের টেস্ট সিরিজ হারার পর, আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার লড়াই আরও জমে উঠেছে। এখন এই লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সাথে শ্রীলঙ্কাও আছে।
তবে শ্রীলঙ্কার জন্য এটি প্রায় অসম্ভব। এভাবে ২০২৫ সালের ১১ জুন লর্ডসে শুরু হতে যাওয়া ফাইনালের প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতকেই প্রাধান্য দেওয়া যেতে পারে।
এখন ৯ দলের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, তাদের শতকরা পয়েন্ট ৬৩.৩৩ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়া ৫৮.৮৯ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ভারতের শতকরা পয়েন্ট ৫৫.৮৮, তারা বর্তমানে তৃতীয় স্থানে। এই তিন দলের ফাইনালে যাওয়ার জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা দেখে নেওয়া যাক।
দক্ষিণ আফ্রিকা: পাকিস্তানের বিপক্ষে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের একটিতে জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকার।
অস্ট্রেলিয়া: ভারতের বিপক্ষে ৫ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ৩ ম্যাচ শেষে দুটি দল ১-১ ব্যবধানে সমতা বজায় রেখেছে। সিরিজের বাকি দুটি টেস্ট জিতলে ফাইনাল নিশ্চিত হবে অস্ট্রেলিয়ার। যদি সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়, তাহলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২ ম্যাচের সিরিজে অন্তত ১টি ম্যাচ জিততে হবে অস্ট্রেলিয়াকে।
ভারত: ফাইনালে যাওয়ার জন্য ভারতকে বোর্ডার–গাভাস্কার ট্রফি ৩-১ ব্যবধানে জিততে হবে। এর মানে, তারা পরবর্তী ২টি টেস্টই জিততে হবে। যদি সিরিজ ২-২ ব্যবধানে ড্র হয়, তাহলে ভারতকে অন্য দলগুলোর ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। অস্ট্রেলিয়া যদি শ্রীলঙ্কায় ২টি টেস্ট সিরিজে হারে, তবেই ভারতের সুযোগ থাকবে।
শ্রীলঙ্কার জন্য এটি প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের আগামী বছরের শুরুতে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারানো ছাড়া অন্য কোন পথ নেই, তবে তাদের অন্য দলের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
সেপ্টেম্বরের শুরুতে চারে উঠে আসা বাংলাদেশ বর্তমানে ৮ নম্বরে রয়েছে। তাদের ফাইনালে ওঠার কোনো সম্ভাবনা নেই। নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানেরও ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ নেই।
এছাড়া, স্লো ওভার রেটের কারণে কোনো দলের পয়েন্ট কাটা পড়লে এই সমীকরণ আবারও পরিবর্তিত হতে পারে।