বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
রাজ্যের বিভিন্ন সীমান্ত জেলার অস্থায়ী নিবাসকেন্দ্র থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মানুষকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে আরও প্রায় ১ হাজার ৮০০ জনকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে তিনি এসব তথ্য উপস্থাপন করেন।
তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত ১০ হাজার মানুষকে বের করা হয়েছে। ১২টি হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১ হাজার ৮০০ জন অপেক্ষমাণ রয়েছে। নিয়মিতভাবে তাদের ওপারে পাঠানো হচ্ছে। আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের আইন বাস্তবায়ন করছি।”
তিনি আরও দাবি করেন, কিছু ব্যক্তিকে ভারতীয় বলা হলেও তারা প্রকৃতপক্ষে অনুপ্রবেশকারী। তার ভাষায়, সরকারি অর্থে বিভিন্ন প্রকল্প চালু থাকলেও অনুপ্রবেশকারীদের ক্ষেত্রে খাবার, পোশাক বা চিকিৎসা সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়।
এছাড়া তিনি বলেন, “ধরো এবং বিএসএফের হাতে তুলে দাও—নো জেল।” অর্থাৎ দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে অবস্থানরত অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আটক রাখার পরিবর্তে সরাসরি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে হস্তান্তরের নীতির ইঙ্গিত দেন তিনি।
সীমান্ত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে বিএসএফকে ১৪২.৭৯ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।