1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, যৌথবাহিনী মোতায়েন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন

চবিতে শিক্ষার্থী-স্থানীয় সংঘর্ষ, যৌথবাহিনী মোতায়েন

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৬ বার পঠিত
উত্তপ্ত চবি ক্যাম্পাসে ১৪৪ ধারা
চবি ক্যাম্পাস

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর অবশেষে যৌথবাহিনী মাঠে নামে। রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ক্যাম্পাসের আশপাশে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় অন্তত ১০টি যৌথবাহিনীর গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।

সংঘাতের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকায় আগামী সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রোববার উপজেলা প্রশাসন প্রজ্ঞাপন জারি করে জানায়, ২নং গেট বাজার থেকে রেলগেট পর্যন্ত এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে পাঁচজনের বেশি মানুষ একত্রে চলাফেরাও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে রোববার সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের সঙ্গে মীমাংসার উদ্যোগ নিতে গেলে শিক্ষার্থী ও বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয়রা লাঠি, রড, ছুরি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়ে মেডিকেল সেন্টারে আসে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, সকাল থেকে ধারাবাহিকভাবে শতাধিক শিক্ষার্থী কাটা-ছেঁড়া ও গুরুতর জখম নিয়ে আসছেন, যাদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সংঘর্ষের পর থেকেই উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এর জেরে রোববার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করে। তারা হামলাকারীদের বিচারের দাবি জানায়। পরে শিক্ষার্থীরা আগের সংঘর্ষের স্থানে গেলে স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হয়ে আবারও মুখোমুখি হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেটে ভাড়া থাকা এক ছাত্রীকে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে ভবনের দারোয়ান মারধর করেন। এ ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ করলে স্থানীয়রা ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। তখন সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে স্থানীয়রা মাইকে ডাক দিয়ে আরও লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।

তবে স্থানীয়দের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরাই প্রথমে হামলা চালায় এবং ঘরবাড়িতে ভাঙচুর করে। জোবরা গ্রামের বাসিন্দাদের ভাষ্য, সংঘর্ষে ১০ থেকে ১৫ জন গ্রামবাসীও আহত হয়েছেন।

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্তও শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘ সংঘর্ষ চলে। এতে অন্তত ৫০ শিক্ষার্থী আহত হন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..