1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রেডিও টেলিস্কোপে মিল্কিওয়ের হাইড্রোজেন লাইন শনাক্ত ববি শিক্ষার্থীর - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

রেডিও টেলিস্কোপে মিল্কিওয়ের হাইড্রোজেন লাইন শনাক্ত ববি শিক্ষার্থীর

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৮৭ বার পঠিত
LNA ছাড়াই মিল্কিওয়ে সংকেত ধরলেন বাংলাদেশি ছাত্ররা

তাহসিন সারা, ববি প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ২১ সেন্টিমিটার হাইড্রোজেন লাইন শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইফতেদা তাসিন ইফতি। সাথে ছিলেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসিবুল করিম। পরীক্ষামূলক পর্যায়েই কোনো Low Noise Amplifier (LNA) ছাড়াই এই সিগন্যাল ধরা পড়া গবেষণাটিকে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জানা যায়, রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে (আমাদের ছায়াপথ) থাকা হাইড্রোজেন গ্যাসের উপস্থিতি সনাক্ত করা যায়, যা ২১ সেমি হাইড্রোজেন লাইন নামে পরিচিত। এই দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের রেডিও সংকেতটি মহাকাশে সবচেয়ে বেশি থাকা উপাদান হাইড্রোজেন থেকে নির্গত হয় এবং মহাকাশের মেঘে ঢেকে থাকা গ্যাস, যা অপটিক্যাল টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যায় না, তা দেখতে সাহায্য করে। রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই সংকেত সনাক্ত করে বিজ্ঞানীরা গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে হাইড্রোজেন গ্যাসের গতি ও অন্যান্য উপাদান শনাক্ত করতে পারেন।

ইফতি জানান, শুরুতে তার লক্ষ্য ছিল একটি অপটিকাল টেলিস্কোপ তৈরি করা। এজন্য দীর্ঘদিন অবতল আয়না খুঁজলেও সাশ্রয়ী দামে পাননি। নিজে মিরর বানানোর চেষ্টা করলেও অবতল কাচের অভাবে তা সম্ভব হয়নি। পরে রেডিও টেলিস্কোপ সম্পর্কে জানতে পেরে নতুন উদ্যোগ নেন এবং সেটিই হয়ে ওঠে তার গবেষণার মূল ক্ষেত্র।

প্রথমে কেবল সূর্য ও আশপাশের সিগন্যাল শনাক্ত করাই উদ্দেশ্য ছিল। তবে অপ্রত্যাশিতভাবে সেটআপটি শুরুতেই মিল্কিওয়ের হাইড্রোজেন লাইন ধরতে সক্ষম হয়। ইফাতির ভাষায়, “নিউট্রাল হাইড্রোজেন তার স্পিন ফ্লিপ ট্রানজিশনের সময় ১৪২০.৪ মেগাহার্টজে রেডিও ওয়েভ উৎপন্ন করে। এই সিগন্যাল অত্যন্ত দুর্বল হওয়ায় শনাক্ত করা কঠিন। এজন্য আমরা DISC ও Helix দুটি এন্টেনা একত্র করে বিশেষ ধরনের এন্টেনা বানিয়েছি। এত দ্রুত হাইড্রোজেন লাইন শনাক্ত হবে, তা আশা করিনি।”

তিনি আরও বলেন, “যদিও এ ধরনের গবেষণা বহু আগেই উন্নত দেশে হয়েছে, বাংলাদেশে এ বিষয়ে আগ্রহ এখনো সীমিত। তবে আমাদের এই উদ্যোগ দেখিয়েছে সীমিত সম্পদ দিয়েও সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..