শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৪৮ বছরের ইতিহাসে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে এক মেয়াদ বিরতির পর দ্বিতীয় বারের মতো হোয়াইট হাউসের মসনদে ফিরে আসছেন রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যে প্রধান নীতিগত সিদ্ধান্তগুলো গ্রহণ করবেন তার মধ্যে অন্যতম হলো বিশ্বব্যাপী যুদ্ধের অবসান।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর বিজয় ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামানোর প্রতিশ্রুতি দেন।
ট্রাম্প তার বিজয় ভাষণে বলেছেন, “আমি যুদ্ধ শুরু করতে যাচ্ছি না, আমি সব যুদ্ধ বন্ধ করব।”
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ থামানোর ব্যাপারে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি, তবে ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, তিনি সম্ভবত ইউক্রেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গেই এসব কথা বলেছেন। তবে ইউক্রেনের জন্য পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ট্রাম্প তার ভাষণে আরও বলেন, “আমি যুদ্ধ শুরু করব না, আমি যুদ্ধ থামাব।” তিনি তার প্রথম মেয়াদের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাদের কোনো যুদ্ধ ছিল না, চার বছর আমরা কোনো যুদ্ধে জড়াইনি, শুধু আইএসআইএসকে পরাজিত করেছি।”
২০১৬ থেকে ২০২০ সালের শাসনামলে বিলিয়নিয়ারের এই ব্যবসায়ী উত্তর কোরিয়ার কোনো নেতা সঙ্গে দেখা করা প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সিঙ্গাপুরে ঐতিহাসিক এক সম্মেলনে কিম জং উনের সঙ্গে তিনি করমর্দন করেছিলেন।
এদিকে নির্বাচনের ফলাফল আসার পর অনেকেই মনে করছেন, ট্রাম্প ইউক্রেনকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা বন্ধ করে দিতে পারেন।
তার পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে, ট্রাম্পের বিজয়ের ফলে ইউক্রেন যুদ্ধের নতুন মোড় দেখা যেতে পারে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-হামাস এবং ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতের ভবিষ্যত কী হবে, তা নিয়ে চর্চা চলছে। যদিও ট্রাম্প আজকের বক্তৃতায় সরাসরি কোনো যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেননি।
এছাড়া, ট্রাম্প আগে দাবি করেছিলেন, যদি তিনি চান, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গাজা যুদ্ধ বন্ধ করতে পারবেন। তার সঙ্গে নেতানিয়াহুর সম্পর্ক ভালো বলেও জানা যায়।