1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
৯৬ শতাংশ কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে, ১১টি কারখানা ঝুঁকিতে - Janatar Jagoron

৯৬ শতাংশ কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে, ১১টি কারখানা ঝুঁকিতে

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
  • ২১২ বার পঠিত
৯৬ শতাংশ কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে

গার্মেন্টস বেতন-বোনাস বিতর্কে ঈদের আনন্দ ছেঁড়ে যেতে পারে!
অনলাইন ডেস্ক

আসন্ন ঈদুল আজহার ছোঁয়ায় দেশের গার্মেন্টস খাতের বেতন ও বোনাস পরিশোধ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দেশের ৯৬ শতাংশ গার্মেন্টস কারখানা ইতোমধ্যেই ঈদ বোনাস দিয়েছে। তবে বেতন-বোনাস নিয়ে এখনও ২৪৫টি কারখানায় সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠান সরাসরি ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ জুন) প্রকাশিত সরকারি কারখানা পরিদর্শন প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ঢাকা অঞ্চলে বর্তমানে ১ হাজার ৭৫০টি এবং চট্টগ্রামে ৩৪২টি গার্মেন্টস কারখানা চালু রয়েছে। মোট ২ হাজার ৯২টি গার্মেন্টসের মধ্যে মে মাসের বেতন পরিশোধ করেছে মাত্র ১ হাজার ২১৮টি, যা মোটের ৫৮.২২ শতাংশ। বেতন বাকি রয়েছে ৮৭৪টি কারখানায়, যা মোটের ৪১.৭৮ শতাংশ। তবে ঈদের বোনাস পরিশোধের ক্ষেত্রে অনেকটাই ইতিবাচক চিত্র, যেখানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলিয়ে ২ হাজার ৮টি প্রতিষ্ঠান (৯৫.৯৮ শতাংশ) বোনাস প্রদান করেছে। বোনাস এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৮৪টি কারখানায়।

অপরদিকে, এপ্রিল মাসের বেতন প্রায় পুরোপুরি পরিশোধ হয়েছে; ঢাকা অঞ্চলে ৯৯.৫৪ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৯৮.৮৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যেই বেতন দিয়েছে।

সরকারি পরিদর্শন প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও বিজিএমইএ’র তথ্যের ভিত্তিতে ২৪৫টি গার্মেন্টস কারখানাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রাখা হয়েছে। এসব কারখানার তালিকা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে বিজিএমইএ-কে জানানো হয়েছে এবং তাদের প্রতি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ঝুঁকির তালিকায় থাকা ১১টি গার্মেন্টস কারখানার মধ্যে রয়েছে — সাভারের হেমায়েতপুরের বসুন্ধরা গার্মেন্টস, গাজীপুরের টঙ্গি ও পুবাইলের সিজনস ড্রেসেস লিমিটেড ও হংকং ফ্যাশনস লিমিটেড, গাজীপুরের কোনাবাড়ীর হাগ নাইটওয়্যার লিমিটেড, টঙ্গির তারাটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়ার সসেইন অ্যাপারেলস লিমিটেড, সাভারের কার্ণাপাড়ার এইচ.আর. টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, মিরপুরের রূপনগর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায় যমুনা ফ্যাশন ওয়্যারস লিমিটেড, আশুলিয়ার জিরাবোর গ্লোরিয়াস সান ফ্যাশন গার্মেন্টস লিমিটেড, সাভারের নরশিংহপুরের আজমুন ডিজাইনার্স লিমিটেড এবং কুতুরিয়ার জেডএ অ্যাপারেলস লিমিটেড।

ঈদুল আজহার আগেই শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজিএমইএ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকি ও পরিদর্শন বাড়ানো হয়েছে বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।








পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..