1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত ও হাদিসের বর্ণনা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন

আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত ও হাদিসের বর্ণনা

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত
আয়াতুল কুরসি

ইসলামে আয়াতুল কুরসি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি আয়াত। এটি সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, হজরত মুহাম্মদ (সা.) একে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নিয়মিত এই আয়াত পাঠ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে নিরাপদ থাকার সুসংবাদ পাওয়া যায়।

সহিহ বুখারির একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.)-এর একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, রমজানের সদকাতুল ফিতরের খেজুর পাহারার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তিনি এক ব্যক্তিকে খাদ্য নিতে দেখে আটক করেন। ওই ব্যক্তি নিজেকে অভাবগ্রস্ত পরিচয় দিয়ে মুক্তি চান। দয়া করে তাকে ছেড়ে দিলে পরদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) জানান, সে মিথ্যা বলেছে এবং আবার ফিরে আসবে।

একই ঘটনা পরপর তিন রাত ঘটে। তৃতীয় রাতে ধরা পড়ার পর ওই ব্যক্তি আবু হুরায়রা (রা.)-কে একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল শেখানোর প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে আল্লাহ একজন রক্ষাকর্তা নিযুক্ত করবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার নিকটবর্তী হতে পারবে না।

পরদিন আবু হুরায়রা (রা.) বিষয়টি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে জানালে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি সত্য কথা বলেছে, যদিও সে বড় মিথ্যাবাদী। পরে তিনি জানান, তিন রাত ধরে যিনি এসেছিলেন, তিনি ছিলেন এক শয়তান। এ ঘটনা সহিহ বুখারি (হাদিস: ২৩১১)-এ বর্ণিত হয়েছে।

আয়াতুল কুরসির উচ্চারণ

আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়ুম, লা তা’খুজুহু সিনাতুও ওয়ালা নাওম। লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান জাল্লাজি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বি ইজনিহ। ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়ালা ইউহিতুনা বি শাইইম মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শাআ। ওয়াসিয়া কুরসিইয়ুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিইয়ুল আজিম।

আয়াতুল কুরসির অর্থ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও সমগ্র সৃষ্টিজগতের ধারক। তাঁকে তন্দ্রা বা নিদ্রা স্পর্শ করে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর মালিকানাধীন। তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউ তাঁর কাছে সুপারিশ করতে পারে না। তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সবকিছু জানেন। তাঁর ইচ্ছা ব্যতীত কেউ তাঁর জ্ঞানের কোনো অংশ আয়ত্ত করতে পারে না। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিনকে পরিবেষ্টন করে আছে এবং এগুলোর সংরক্ষণ তাঁর জন্য মোটেও কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..