শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
নোট নতুন হলেও মেশিন বুঝছে না, দুর্ভোগে জনতা!
অনলাইন ডেস্ক
ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে চলতি মাসের শুরুতেই নতুন নকশার নোট বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথম ধাপে এসেছে ২০, ৫০ এবং ১০০০ টাকার ঝকঝকে নতুন নোট। তবে নোট হাতে পেয়েই বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
চেষ্টা করেও এটিএম ও সিআরএম মেশিনে নতুন নোট জমা দিতে পারছেন না তারা। মেট্রোরেলের যাত্রীরাও ভুগছেন; ২০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট দিয়ে টিকিট কাটার চেষ্টায় বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন ভেন্ডিং মেশিনে।
ব্যাংকাররা বলছেন, এটিএম মেশিনে সমস্যা কম হলেও সিআরএম মেশিন নতুন নোটকে “অচেনা অতিথি” হিসেবে দেখছে। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে, এবং এরই মধ্যে প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকারদের আশা, ১০-১৫ দিনের মধ্যে এই বিড়ম্বনার ইতি ঘটবে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক মন্তব্যে গণমাধ্যমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা ইলিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, “সিআরএমে আসল সমস্যাটা হচ্ছে জমার সময়। আপনি ১ হাজার টাকা তুলতে চাইলে সমস্যা নেই। কিন্তু জমা দিতে গেলেই মেশিন নতুন নোট চিনতে পারছে না। আমরা আমাদের প্রযুক্তি সরবরাহকারীকে জানিয়েছি, সমাধানে কিছুদিন লাগবে।”
ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার বলেন, “আমাদের ভেন্ডরদের সঙ্গে মিলে সিআরএম সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করছি। আশা করছি, এক সপ্তাহের মধ্যেই ভালো কিছু খবর দিতে পারব।”
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সিআরএম ও ভেন্ডিং মেশিনের সমস্যা একই রকম—নতুন নোটের সঙ্গে সফটওয়্যার খাপ খাওয়াতে সময় লাগছে। তবে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে তারা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, “এটিএম বা সিআরএম মেশিনের সফটওয়্যারে নোটকে ‘পরিচয় করিয়ে’ দিতে হয়। না হলে মেশিন এটাকে শুধু সাধারণ কাগজ মনে করে বাতিল করে দেয়। এটাই মূল কারণ।”
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, নতুন নোট বাজারে ছাড়ার পরপরই ঈদের ছুটি ছিল। তাই সফটওয়্যার আপডেট ও পরীক্ষার কাজ কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে।