1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ট্রাম্পের বক্তব্য লক্ষ-কোটি মুসলিমের অনুভূতিতে আঘাত করেছে : ইরান - Janatar Jagoron

ট্রাম্পের বক্তব্য লক্ষ-কোটি মুসলিমের অনুভূতিতে আঘাত করেছে : ইরান

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ১৭৩ বার পঠিত
মুসলিমের অনুভূতিতে আঘাত করেছে

খামেনিকে হত্যার ট্রাম্পীয় দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র জবাব!

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘অপমানজনক’ বক্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতিনীতির চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল জাতিসংঘ সনদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের নীতিকেই অবজ্ঞা করে না, বরং এটি একটি প্রাচীন সভ্যতা ও বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত হানে।

এক বিবৃতিতে তেহরান জানায়, ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন— তিনি নাকি ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনীকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা থেকে বিরত রেখেছিলেন। এই বক্তব্যকে তেহরান ‘অশালীন ও দম্ভপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক শিষ্টাচারহীনতার প্রতিচ্ছবি বলে মন্তব্য করেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, এমন অপমানজনক বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় দিক থেকেও মুসলিম বিশ্বের নেতাদের অবমাননার শামিল এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের কথিত ‘সংলাপ ও সহযোগিতা’র দ্বিমুখী চরিত্রকে নগ্নভাবে তুলে ধরেছে।

তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোরভাবে আহ্বান জানিয়েছে— তারা যেন এমন উসকানিমূলক ভাষা পরিহার করে এবং পূর্বনির্ধারিত ভ্রান্ত অবস্থান থেকে সরে এসে কূটনৈতিক পথ গ্রহণ করে। সেইসঙ্গে ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় পরিচালিত হামলার জন্য আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহি করার আহ্বানও জানায়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, গত ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ইরানের দাবি, এটি সরাসরি জাতিসংঘ সনদ এবং পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি লঙ্ঘন করে।

জবাবে, ইরান কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এর মাত্র দুই দিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দেন, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

তেহরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা ও আগ্রাসী নীতি শুধু কূটনৈতিক শালীনতা ধ্বংস করছে না, বরং গোটা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে বলে মন্তব্য করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..