বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। জানা গেছে, বিমানটিতে মোট ১৮১ জন আরোহী ছিলেন।
রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এবং সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা পৃথক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে যাত্রা করা জেজু এয়ারের ৭সি২২১৬ ফ্লাইটটি ১৭৫ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনায় পড়ে। এতে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়ে এখন ৬২ জনে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানায়, বিমান দুর্ঘটনার পর দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মু উদ্ধার তৎপরতার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে, এবং ইতোমধ্যেই দু’জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়, ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মুয়ান বিমানবন্দরে অবতরণ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ‘পাখির সাথে সংঘর্ষের কারণে ল্যান্ডিং গিয়ারে সমস্যা সৃষ্টি হয়,’ যা এই দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, প্লেনটি রানওয়ে থেকে ছিটকে গিয়ে একটি দেওয়ালে ধাক্কা খায় এবং সঙ্গে সঙ্গে তাতে আগুন ধরে যায়। এর পরপরই ঘটনাস্থল থেকে আকাশে বিশাল কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়।
আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, টুইন-ইঞ্জিন প্লেনটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ‘বেলি ল্যান্ডিং’ (যেখানে ল্যান্ডিং গিয়ার পুরোপুরি নামানো হয়নি) করার চেষ্টা করছিল। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানেই এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।