রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কেবিন ব্লক এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুই চিকিৎসক, এক সিনিয়র স্টাফ নার্সসহ ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বরখাস্ত হওয়া দুই চিকিৎসক হলেন– কার্ডিওলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তোরাব আলী মিম এবং চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াজ সিদ্দিকী প্রাণ।
বরখাস্ত হওয়া অন্যদের মধ্যে রয়েছেন– হাসপাতাল পরিচালকের অফিসের পেইন্টার নিতীশ রায়, মো. সাইফুল ইসলাম, এমএলএসএস কাজী মেহেদী হাসান, সহকারী ড্রেসার শহিদুল ইসলাম (সাইদুল) এবং সুইপার সন্দীপ।
এছাড়া, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শবনম নূরানী, ওয়ার্ড মাস্টার অফিসের এমএলএসএস শাহাদাত, কার্ডিওলজি বিভাগের এমএলএসএস মুন্না আহমেদ এবং ওয়ার্ড মাস্টার অফিসের এমএলএসএস আনোয়ার হোসেনও বরখাস্ত তালিকায় রয়েছেন।
অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগের অফিস সহকারী উজ্জল মোল্লা, পরিবহন শাখার চালক সুজন বিশ্ব শর্মা, বহির্বিভাগের (ওপিডি ১) এমএলএসএস ফকরুল ইসলাম জনি এবং ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টারের কাস্টমার কেয়ার অ্যাটেনডেন্ট রুবেল রানা।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র ও জনতার আন্দোলনের সময় কেবিন ব্লকের সামনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ধারা ২-এর (ছ), (জ), (ঝ) এবং (ঢ) অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলো।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাময়িক বরখাস্তের সময় সংশ্লিষ্টরা দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১৪ ধারা অনুযায়ী বেতন ও ভাতাদি পাবেন। তবে, তাদের চাকরি অধ্যাদেশের বিধি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
দক্ষতা ও শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে বরখাস্তকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এ আদেশ ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।