সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
প্রশিক্ষণ শেষ, সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষ করেই রবিবার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য বদলি আদেশ পাওয়ার কথা। রাজশাহীতে সমাপনী কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করতে পৌঁছেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তবে, শনিবার রাতেই আকস্মিকভাবে বাতিল করা হয় সমাপনী কুচকাওয়াজের আয়োজন।
রাতেই নগর পুলিশের মুখপাত্রের পাঠানো বার্তায় জানানো হয়, রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে রবিবার (২০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিতব্য ৪০তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। তবে, দুপুর ১টায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ৪০তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬২ জনকে ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে চিহ্নিত করে বাদ দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। এএসপি হিসেবে তাদের যোগদান বন্ধে প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারণ দেখিয়ে স্থগিত করা হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ওই ৬২ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে যোগ দেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনার সরকার তিনটি ক্যাটাগরির আওতায় ৪০তম বিসিএস থেকে ওই ৬২ জনকে এএসপি হিসেবে নির্বাচন করেছে। ক্যাটাগরিগুলো হলো- ছাত্রলীগ, গোপালগঞ্জের বাসিন্দা এবং দলীয় ক্যাডার।
সূত্র আরও জানায়, সেই সময়ে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও অনেককে বাদ দেওয়া হয় শুধুমাত্র এসবি এবং এনএসআইয়ের রিপোর্টের ভিত্তিতে। আওয়ামী লীগ না করলে কাউকেই নিয়োগ দেওয়া হয়নি। একইভাবে, ফলাফল যত ভালোই হোক, পরিবারের কেউ বিএনপি বা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকেও বাদ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ আমলে সম্পন্ন হওয়া তিনটি বিসিএস ব্যাচের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল।