সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘যদি সামান্য কিছু পরিবর্তন করে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরি করার মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন করতে চাই, তবে ২০২৫ সালের শেষের দিকে নির্বাচন সম্ভব হতে পারে। তবে, যদি এর সঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ অনুসারে সংস্কারের প্রয়োজনীয় ধাপগুলো যুক্ত করতে হয় এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই সংস্কারগুলো সম্পন্ন করতে চাই, তবে অন্তত আরও ছয় মাস অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। মোট কথা, ২০২৫ সালের শেষ প্রান্ত থেকে ২০২৬ সালের প্রথম ভাগের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের সময়সীমা নির্ধারণ করা যেতে পারে।’
আজ সকাল ১০টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ একযোগে সম্প্রচার করেছে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড। ভাষণের শুরুতে দেশবাসীকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি বারবার আপনাদের কাছে আবেদন জানিয়েছি, প্রয়োজনীয় প্রধান সংস্কারগুলো শেষ করে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, ‘প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা। এটি এমনিতেই একটি কঠিন প্রক্রিয়া। কিন্তু এখন কাজটি আরও কঠিন হয়েছে কারণ, গত তিনটি নির্বাচনে ভোটারদের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল না। কারো পক্ষেই ভোটার তালিকা যাচাই করার সুযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। গত ১৫ বছরে যারা ভোটার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন, তাদের সবার নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা নিশ্চিত করতে হবে। এটি একটি বড় কাজ। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এখানে কোনো ত্রুটি রাখার সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন পরে এবার বহু তরুণ-তরুণী প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। অতীতে তাদের এই অধিকার এবং আনন্দ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল।’