1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
১৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য মিলেছে : এনবিআর - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম

১৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য মিলেছে : এনবিআর

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫
  • ১৩২ বার পঠিত
১৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির তথ্য মিলেছে

মাত্র ৭ মাসে রাজস্ব ফাঁকির রেকর্ড ভাঙল এনবিআর
অনলাইন ডেস্ক

মাত্র ৭ মাসে ১৮৩ প্রতিষ্ঠানের ১,৮৭৪ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি উদ্‌ঘাটন—ব্যাংক হিসাব জব্দ, উদ্ধার ১১৭ কোটি

টাকা নয়, যেন পাহাড়! মাত্র সাত মাসেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট উন্মোচন করেছে রাজস্ব ফাঁকির এমন এক চিত্র, যা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতো।

এই সময়ে ১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মোট ১ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকার কর ফাঁকির প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে ৬৩টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে ১১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ জুলাই) রাতে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৭ মাসে বিভিন্ন গোয়েন্দা অভিযানে ১৮৩ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকির বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তে এই বিপুল অঙ্কের ফাঁকির তথ্য উঠে আসে। ইতিমধ্যে ২৩১টি চালানের মাধ্যমে ৬৩ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা, যা জমা পড়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হচ্ছে—যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কর ফাঁকির তথ্য মিলেছে, তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে, যা কার্যক্রমের কড়াকড়ি ও স্বচ্ছতার দিকটি স্পষ্ট করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আয়কর গোয়েন্দা ইউনিটের এই তৎপরতা রাজস্ব খাতে নৈতিকতা, প্রযুক্তি ও আইনি কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। শুধু রাজস্ব আদায় নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে করদাতাদের মধ্যে আইন মেনে চলার প্রবণতা তৈরি ও একটি সুস্থ কর সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও এই ইউনিট কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এনবিআরের অধীনে শুধু আয়কর নয়, ভ্যাট ও শুল্ক খাতেও রয়েছে স্বতন্ত্র গোয়েন্দা ইউনিট। এগুলোর পাশাপাশি গোয়েন্দা কার্যক্রমকে আরও কার্যকরভাবে সমন্বয় করতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) নামে একটি শক্তিশালী ইউনিটও কাজ করছে, যা বৃহৎ রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর দমন নীতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..