1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপে ব্যবসায়ী সমাজ উদ্বিগ্ন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপে ব্যবসায়ী সমাজ উদ্বিগ্ন

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭০ বার পঠিত
ব্যবসায়ী সমাজ উদ্বিগ্ন

৩৫% শুল্ক! ভেঙে পড়বে নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশ?
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির ওপর ৩৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক বসিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক অভিঘাত পড়তে পারে বলে মনে করছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তা এবং ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম।

তার মতে, তৈরি পোশাক খাত, যেটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকা শক্তি, যুক্তরাষ্ট্রের এ বাড়তি শুল্কের কারণে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

তিনি জানান, আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশের মতো শুল্ক ছিল। নতুন করে ৩৫ শতাংশ যোগ হওয়ায় মোট শুল্কের হার পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলকভাবে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। শুধু পোশাকশিল্প নয়, এর প্রভাব পুরো রপ্তানি কাঠামোতেই পড়বে—ব্যাংক, বীমা, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বন্দর ব্যবস্থাও এই সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে বহু কারখানা অস্তিত্ব রক্ষায় হিমশিম খাবে।

এফবিসিসিআই নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী সাকিফ শামীম বলেন, এই পরিস্থিতি উত্তরণে সরকার টু সরকার (জিটুজি) আলোচনার ওপর জোর দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের সঙ্গে তড়িৎ গতিতে আলোচনায় বসে ধাপে ধাপে শুল্ক বাস্তবায়নের বা ছাড়ের সম্ভাবনা যাচাই করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসায়ী সমাজ এ খবরে উদ্বিগ্ন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের মতের সঙ্গে একমত হয়ে তিনি বলেন, ওয়ান টু ওয়ান আলোচনার মাধ্যমেই শুল্ক হ্রাসে সমঝোতা সম্ভব। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্টরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী মহল আশাবাদী, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইতিবাচক সমঝোতা হবে।

তবে সাকিফ শামীম মনে করেন, বিষয়টি শুধুই শুল্ক নয়, বরং এটি একটি বৃহত্তর বাণিজ্য কূটনীতির অংশ। এ সমস্যা সমাধানে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যনীতির কিছু দিকেও দৃষ্টি দিতে হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে এমন সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রয়োজন আছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার। মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ২০ শতাংশ মার্কিন বাজারে যায়। আগেই যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তবাণিজ্য সুবিধা না থাকায় প্রতিযোগিতা কঠিন ছিল, এখন শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় তা আরও তীব্র হবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এমনকি, মার্কিন বাজারনির্ভর অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার ফলে হাজার হাজার নারী শ্রমিক বেকার হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন।

এছাড়া তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব সহায়ক শিল্প রয়েছে—যেমন প্যাকেজিং, ট্রান্সপোর্ট, স্থানীয় কাঁচামাল সরবরাহকারী—তাদেরও বিপদে পড়তে হবে। সাকিফ শামীম বলেন, চীন ও ভিয়েতনামের মতো বৈচিত্র্যময় অর্থনীতির তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি নির্ভরতা একক খাতভিত্তিক হওয়ায় শুল্কের এই ধাক্কা আরও ভয়াবহ হবে।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ৩৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হলে বিদেশি আমদানিকারকরা অর্ডার বাতিল করতে পারে। এতে ছোট কারখানাগুলো একদম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বড় কারখানাগুলোর ক্ষেত্রেও অর্ধেক শুল্ক বহনের চাপ থাকবে, যা তাদের বড় ক্ষতির মুখে ফেলবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নেও (ইইউ) সংকট তৈরি হতে পারে, কারণ মার্কিন বাজার সংকুচিত হলে সবাই ইইউ’র দিকে ঝুঁকবে। এতে ইইউ ক্রেতারা দামের সুযোগ নেবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..