মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন
এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম উম্মাহর জীবনে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে পবিত্র ঈদুল ফিতর। রমজানের সংযম, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির সাধনার পর ঈদের দিনটি যেন আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য বিশেষ এক পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়।
মুমিন-মুসলমানরা সাধারণত ২৯ রমজান সন্ধ্যায় ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার অপেক্ষায় থাকে। ঈদের চাঁদ দেখা গেলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও নিজেদের কল্যাণ কামনায় একটি বিশেষ দোয়া পাঠ করা সুন্নত। রাসুল (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে চাঁদ দেখার জন্য উৎসাহিত করতেন এবং এই দোয়া পড়তে বলতেন।
হজরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন, اللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالإِيمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ। (তিরমিজি : ৩৪৫১)
অর্থ : হে আল্লাহ, তুমি ওই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত কর নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।
প্রসঙ্গত, ঈদের সময় নতুন পোশাক পরা মানুষের আনন্দের অন্যতম অংশ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নতুন পোশাক পরিধানের সময়ও একটি নির্দিষ্ট দোয়া পড়তে উৎসাহ দিয়েছেন, যাতে বান্দা আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে পারে এবং সেই পোশাক তার জন্য কল্যাণের কারণ হয়।
হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) নতুন কাপড় পরার সময় এই দোয়া পড়তেন, الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي
উচ্চারণ : আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি কাসানি মা উয়ারি বিহি আওরাতি ওয়া আতাজাম্মালু বিহি ফি হায়াতি। (তিরমিজি : ৩৫৬০)
অর্থ : সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে কাপড় পরিয়েছেন, যা দিয়ে আমি লজ্জাস্থান ঢেকে রাখি এবং জীবনে সৌন্দর্য লাভ করি।