1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
৭-১: এক পরাজয়, এক জাতির কান্না - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

৭-১: এক পরাজয়, এক জাতির কান্না

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২১৪ বার পঠিত
এক জাতির কান্না

এক ম্যাচ, এক কান্না—মিনেইরাও আজও ব্রাজিলের ঘরে শোক!
অনলাইন ডেস্ক

আজ ৮ জুলাই—একটি তারিখ, যা উচ্চারণ করলেই অসংখ্য ব্রাজিলিয়ান ফুটবলভক্তের চোখে নেমে আসে বিষাদের ছায়া। কারণ, আজ থেকে ঠিক ১১ বছর আগে, নিজেদের ঘরের মাঠে, বেলো হরিজন্তের মিনেইরাও স্টেডিয়ামে ঘটে গিয়েছিল ব্রাজিল ফুটবলের ইতিহাসের সবচেয়ে করুণ অধ্যায়—জার্মানির বিপক্ষে ৭-১ গোলের সেই চরম লজ্জাজনক হার।

পেলের দেশ ব্রাজিল, যেখানে ফুটবল ধর্মের মতো, সেই দেশের জন্য এটি ছিল এক দুঃস্বপ্ন। নেইমার ইনজুরিতে ছিটকে পড়েছিলেন কোয়ার্টার ফাইনালেই, আর অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা ছিলেন নিষিদ্ধ। তবুও সমর্থকরা আশা ছাড়েননি, কারণ মিনেইরাওয়ের গ্যালারি ছিল ব্রাজিলের ঘরের উঠান, যেখানে হেক্সা জয়ের স্বপ্নে গর্জে উঠেছিল সমগ্র জাতি।

কিন্তু মাঠের ঘটনা ছিল যেন ট্র্যাজেডির চিত্রনাট্য।

মাত্র ২৯ মিনিটে স্কোরলাইন ৫-০! থমাস মুলার সূচনা করেছিলেন, এরপর ক্লোসা তার ক্যারিয়ারের ঐতিহাসিক গোলটি করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যান। খেদিরা ও ক্রুসের জোড়া গোলে ধসে পড়ে ব্রাজিলের প্রতিরক্ষা। দ্বিতীয়ার্ধে শার্লের আরও দুটি গোল যুক্ত হলে স্কোর হয় ৭-০। শেষদিকে অস্কারের একটি গোল যেন ছিল কেবল পুঁজে লবণ ছড়ানো। মিনেইরাওয়ের গ্যালারিতে তখন কান্না, স্তব্ধতা আর অবিশ্বাস—যেন সময় থেমে গেছে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শক টিভির পর্দায় তাকিয়ে ছিলেন নিঃশব্দে, কিছু না বুঝে। অনেকেই ভাবছিলেন—এটা কি বাস্তব, না দুঃস্বপ্ন?

‘Mineiraço’ নামে খ্যাত এই ম্যাচ ব্রাজিল ফুটবলের জন্য শুধু একটি পরাজয় নয়, বরং এক জাতীয় আত্মপরিচয়ের সংকট। যেভাবে ১৯৫০ সালে উরুগুয়ের বিপক্ষে ‘Maracanazo’ হয়েছিল, তেমনই মিনেইরাওয়ে জন্ম নেয় নতুন ট্র্যাজেডির। এক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দেশকে যেন মুহূর্তেই গ্রাস করে অপমান, হতাশা আর গ্লানি।

পরবর্তীকালে স্কলারির জায়গায় তিতে এসে দলকে নতুনভাবে সাজালেও বিশ্বকাপে আর সেই ব্রাজিলের আগুন দেখা যায়নি। ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে কোয়ার্টারে বিদায়, ২০২২ সালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হার—সবই যেন মিনেইরাওয়ের সেই ক্ষতেরই নতুন নতুন খোঁচা।

তবুও নতুন প্রজন্মের কাঁধে এখন ব্রাজিলের ফুটবল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রদ্রিগো, লুকাস পাচেতা, এবং বিস্ময় বালক এনদ্রিকের মতো তারকারা চেষ্টা করছেন হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু মিনেইরাওয়ের ওই রাতের ক্ষত শুধু খেলার মাঠে নয়, তা জড়িয়ে আছে জাতির আত্মমর্যাদা আর আবেগের গভীরে।

১১ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রাজিলের ফুটবলচেতনায় ৮ জুলাই এক অনন্তশোক। যতো ট্রফিই আসুক, সেই রাতের কান্না, সেই ব্যথা ভুলবার নয়। কারণ, সেই হার ছিল এক ম্যাচ নয়—বরং ছিল এক জাতির হৃদয়ের রক্তক্ষরণ।

আর তাই, ৮ জুলাই মানেই—মিনেইরাওয়ের কান্না। যা আজও থেমে থাকেনি, থামবেও না—জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ফুটবলপ্রেমী প্রতিটি ব্রাজিলিয়ানের হৃদয়ে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..