1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জুলাইয়ের ২৬ দিনে এক টাকাও রেমিট্যান্স আসেনি যে ৯ ব্যাংকে - Janatar Jagoron
শিরোনাম

জুলাইয়ের ২৬ দিনে এক টাকাও রেমিট্যান্স আসেনি যে ৯ ব্যাংকে

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১৭৪ বার পঠিত
রেমিট্যান্স আসেনি যে ৯ ব্যাংকে

১৯৩ কোটি ডলারে আলো, ৯ ব্যাংকে অন্ধকার!
অনলাইন ডেস্ক

চলতি জুলাইয়ের প্রথম ২৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৯৩ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এই বিশাল অঙ্ক দেশের অর্থনীতির জন্য বড় অনুপ্রেরণা হলেও, চমকপ্রদ তথ্য হলো—একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকসহ ৯টি ব্যাংক দিয়ে এক টাকাও রেমিট্যান্স আসেনি!

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, প্রবাসীদের পাঠানো বিপুল অর্থ যেমন অর্থনীতির গতি বাড়াচ্ছে, তেমনই প্রশ্ন তুলেছে কিছু ব্যাংকের অদক্ষতা বা আগ্রহের ঘাটতি নিয়ে। জুলাই মাসের ২৬ দিনেও এই ৯টি ব্যাংক এক কপর্দকও আনতে পারেনি রেমিট্যান্স বাবদ।

এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে—রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংকপদ্মা ব্যাংক পিএলসি। শুধু তাই নয়, বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানস্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া থেকেও কোনো অর্থ আসেনি প্রবাসীদের কাছ থেকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যাংকগুলোর দুর্বল প্রবাসী সেবা, অপ্রচলিত ডিজিটাল চ্যানেল এবং এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ঘাটতির কারণেই এমন চিত্র। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি এবং প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরির তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের ব্যাংকগুলোর পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

‘গণমাধ্যম’-কে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় একজন রেমিট্যান্স গবেষক বলেন, “এই সময়েও যদি কিছু ব্যাংক এক ডলারও আনতে না পারে, তবে তাদের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।” তিনি আরও যোগ করেন, “বর্তমানে অনেক ব্যাংক শুধু নামেই রেমিট্যান্স ব্যাংক।”

অন্যদিকে, যারা নিয়মিত রেমিট্যান্স আনছে, তারা প্রযুক্তি, দ্রুত সেবা ও প্রতিযোগিতামূলক রেট দেওয়ার মাধ্যমে প্রবাসীদের আস্থা অর্জন করছে। তাদের কাছে পাঠানো অর্থ শুধু পরিবারের মুখেই হাসি ফোটায় না, দেশকেও দেয় বৈদেশিক মুদ্রার শক্ত ভিত।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..