বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
রাজধানীতে থার্টিফার্স্ট নাইটে আতশবাজি এবং পটকা ফোটানোর সময় আলাদা ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে আহত অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।
আহতরা হলেন– ফারহান (৮), সিফান মল্লিক (১২), সম্রাট (২০), শান্ত (৪৫) এবং তাফসির (৩)।
বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান।
মঙ্গলবার রাতের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে তারা ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নিতে আসেন। এর মধ্যে একজন শিশুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ডা. শাওন জানান, “ফারহান নামে ৮ বছর বয়সী শিশুটির শরীরের ১৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়া সিফান মল্লিকের (১২) শরীরের ১ শতাংশ, সম্রাটের (২০) শরীরের ১ শতাংশ, শান্তর (৪৫) শরীরের ২ শতাংশ এবং তাফসির নামের ৩ বছর বয়সী এক শিশুর শরীরের ২ শতাংশ পুড়ে গেছে।”
তিনি আরও জানান, দগ্ধ ব্যক্তিরা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। ফারহানের দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পটকা ও আতশবাজি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কয়েকদিন আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পাশাপাশি পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকেও অনুরোধ করা হয়েছিল যে, পটকা ফাটিয়ে শব্দদূষণ এবং বায়ুদূষণ যেন না করা হয়।
তবুও ঢাকার মানুষ বিষয়টি উপেক্ষা করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকেই পাড়া-মহল্লায় হৈচৈ শুরু হয় এবং থেমে থেমে পটকার শব্দ শোনা যায়। রাত ১২টা বাজলে তা চরমে পৌঁছে। সেই সময় আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে রঙিন আতশবাজির আলোয়।