শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন
সোহাগকে পাথর দিয়ে হত্যা, মুখ খুললো ৩ খুনি!
অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীর পুরান ঢাকায় মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনেই নির্মমভাবে খুন হওয়া ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগ হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিন অভিযুক্ত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন— টিটন গাজী, মো. আলমগীর ও মনির ওরফে লম্বা মনির।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে তারা নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।
পরে ঢাকার তিনটি আলাদা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের স্বীকারোক্তি রেকর্ড করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম ও আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন— মাহমুদুল হাসান মহিন, টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, তারেক রহমান রবিন, সজীব ব্যাপারী, মো. রাজিব ব্যাপারী, নান্নু কাজী ও রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু। এদের মধ্যে ১২ জুলাই টিটন গাজীকে পাঁচ দিনের এবং ১৩ জুলাই আলমগীর ও মনিরকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। ১৪ জুলাই সজীব ও রাজিবের পাঁচ দিনের রিমান্ড অনুমোদন করেন আদালত। আর মহিনের জন্য ১০ ও ১৫ জুলাই দুটি পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
শেষ পর্যন্ত ১৬ জুলাই নান্নু, রিজওয়ান ও রবিনের সাত দিনের রিমান্ড অনুমোদন করা হয়।
এদিকে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট সংলগ্ন পাকা সড়কে একদল দুর্বৃত্ত ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্রে কুপিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে নিহতের বড় বোন বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। একইসঙ্গে আসামি রবিনের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করায় পুলিশ অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করে।