1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
তেলের দামে বড় পতনের আভাস - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

তেলের দামে বড় পতনের আভাস

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫
  • ২০৮ বার পঠিত
তেলের দামে বড় পতনের আভাস

তেল কি এবার ‘কালো সোনা’ থেকে ‘কালো বোঝা’ হবে?
অনলাইন ডেস্ক

জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের ধসের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কয়েক ধাপে মূল্যহ্রাসের পর এবার দামের স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও উঁকি দিচ্ছে। সোমবার (৩০ জুন) মরগান স্ট্যানলি একটি বিশ্লেষণ নোটে এসব পূর্বাভাস জানায়।

বিশ্ববিখ্যাত বহুজাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান মরগান স্ট্যানলি বিনিয়োগ ব্যাংকিং, সিকিউরিটিজ, সম্পদ ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করে থাকে। উইকিপিডিয়া বলছে, তারা বর্তমানে ৪০টিরও বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

নোটে বলা হয়, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় ২০২৫ সালের শুরুতে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৬০ ডলারে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, ২০২৫–২৬ সালে ওপেকের বাইরের দেশগুলো থেকে তেলের জোরালো সরবরাহ বাড়বে—প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ ব্যারেল করে। যা আগামী বছরের চাহিদা বৃদ্ধিকে ভারসাম্যে আনতে সক্ষম। ওপেক যদিও তার উৎপাদন কোটা কমিয়ে আসছে, তবুও ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতিদিন ১৩ লাখ ব্যারেল অতিরিক্ত সরবরাহের আশা করছে মরগান স্ট্যানলি।

ওপেক ও রাশিয়াসহ মিত্র দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ওপেক+ নামে পরিচিত। এ জোট মে থেকে জুলাই মাসে প্রতিদিন ৪১১,০০০ ব্যারেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার ফলে এপ্রিলের তুলনায় উৎপাদনে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি হচ্ছে।

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্লেষকরা প্রথমে তেলের দাম আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিলেও পরবর্তীতে সেই আশঙ্কা মুছে যেতে শুরু করেছে। ওপেক সরবরাহ বাড়াচ্ছে, আর বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়ার ইঙ্গিতও স্পষ্ট হচ্ছে। সোমবার প্রকাশিত রয়টার্সের জরিপে এমন চিত্র উঠে আসে।

সোমবার ব্রেন্ট ফিউচারের দাম ১৬ সেন্ট বা ০.২% কমে দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৬৭.৬১ ডলারে। অপরদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের অপরিশোধিত তেলের দাম কমেছে ৪১ সেন্ট বা ০.৬%—বর্তমান মূল্য দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৬৫.১১ ডলার।

এর আগে ১৩ জুন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরায়েলি হামলা এবং দুই দেশের মধ্যে ১২ দিনের সঙ্ঘাতে তেলের দাম একসময় ৮০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন দাম ১০০ ডলার ছাড়াবে। কিন্তু দ্রুত যুদ্ধবিরতির কারণে তা আবার ৬৭ ডলারে নেমে আসে।

অ্যাগেইন ক্যাপিটালের বিশ্লেষক জন কিল্ডাফ বলেন, “যুদ্ধবিরতি দ্রুত কার্যকর হওয়ায় সরবরাহ সংক্রান্ত ঝুঁকি প্রায় মুছে গেছে। বাজার ফের ভারসাম্যে ফিরছে।”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..