শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। একই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন তার মেয়ে ও নাতি-নাতনিরাও।
ইরানে মার্কিন হামলার প্রেক্ষাপটে পরম করুণাময় আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করেছেন ইসলামিক স্কলার ও আলোচক ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
রোববার (০১ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, অস্থিরতার আগুনে পুড়ছে জনপদ; চক্রান্তে বিদীর্ণ উম্মাহ আজ দিশেহারা।
তিনি আরও লেখেন, হে আরশের মালিক! জুলুমের অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীতে ন্যায়ের শান্তি প্রতিষ্ঠা করুন।
এদিকে খামেনির মৃত্যুর ঘটনায় ইরান সরকার ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। এই সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান সীমিত আকারে আয়োজন এবং দেশজুড়ে বিশেষ দোয়া ও স্মরণসভা পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার জীবন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনির নিহত হওয়ার দাবি তোলেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে একই দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম দুষ্টু ব্যক্তি, মারা গেছেন। এটি শুধু ইরানের জনগণের জন্য ন্যায়বিচার নয়, বরং সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেই মহান আমেরিকানদের জন্যও ন্যায়বিচার, যারা খামেনি ও তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসী দলের হাতে নিহত বা ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন। তিনি আমাদের গোয়েন্দা ও অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং ব্যবস্থার নজর এড়াতে পারেননি এবং ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা নিশ্চিত করেছি যে তিনি বা তার সঙ্গে নিহত অন্য নেতারা কিছুই করতে পারেননি।’
ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘এটি ইরানের জনগণের জন্য নিজেদের দেশ পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা শুনছি যে তাদের আইআরজিসি, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চান না এবং আমাদের কাছ থেকে নিরাপত্তা (ইমিউনিটি) চাইছেন।’