1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ভারতে বাংলায় কথা বললেই ‘বাংলাদেশি ট্যাগ’ দিয়ে গ্রেপ্তার। - Janatar Jagoron
শিরোনাম

ভারতে বাংলায় কথা বললেই ‘বাংলাদেশি ট্যাগ’ দিয়ে গ্রেপ্তার।

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৫ বার পঠিত
ভারতে বাংলায় কথা বললেই ‘বাংলাদেশি ট্যাগ

বাংলা বললেই বাংলাদেশি? মমতার হুঁশিয়ারিতে কেঁপে উঠলো ধর্মতলা!
অনলাইন ডেস্ক

ভারতে বাংলা বললেই ‘বাংলাদেশি’ অপবাদে ধরপাকড় বাড়ছে—এই অমানবিক প্রবণতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার (১৬ জুলাই) কলকাতার কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে দলটি। নেতৃত্ব দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

গণমাধ্যম জানিয়েছে, মুষলধারে বৃষ্টিও রুখতে পারেনি হাজারো তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উত্তাল স্রোত। মিছিলে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমসহ তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলটির দাবি—আসাম, দিল্লি, ওড়িশা কিংবা রাজস্থান—যেখানেই বাংলা ভাষায় কথা বলা হচ্ছে, সেখানেই নির্বিচারে ‘বাংলাদেশি’ তকমা লাগিয়ে নাগরিকদের গ্রেপ্তার ও পুশব্যাক করা হচ্ছে।

প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ধর্মতলায় পৌঁছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বাংলা বললেই যদি বাংলাদেশি বানানো হয়, তাহলে দেশে গণতন্ত্র কোথায়?” একইসঙ্গে তিনি বিজেপির ভাষানির্ভর বিভাজন রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, বিজেপি এখন ভাষা ও পরিচয়কে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে মানুষকে নিপীড়ন করছে। তবে মানুষই এর জবাব দেবে—ব্যালটের মাধ্যমে। এবার ভোটে বিজেপিকে এমনভাবে হারাবে, যেন তাদের আটক কেন্দ্রে পাঠাতে হয়।

২১ জুলাই শহীদ দিবসের প্রাক্কালে এই কর্মসূচি তৃণমূলের অবস্থান আরও জোরালোভাবে সামনে এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ভাষা ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাজ্য সরকার যে আর কোনো আপস করবে না—সেটাই এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্পষ্ট করেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..