1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
‘মার্চ ফর গাজা’—গর্জে উঠল লাখো জনতা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

সোহরাওয়ার্দীতে ‘মার্চ ফর গাজা’—গর্জে উঠল লাখো জনতা, কেঁপে উঠল মানবতা!

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫১ বার পঠিত
মার্চ ফর গাজা

🔥 “সোহরাওয়ার্দীতে ইতিহাস নয়, হৃদয়ের বিস্ফোরণ ঘটাল আজকের মহাসমাবেশ!” 🔥
মানবতার পক্ষে এমন গর্জন বাংলাদেশ আগে কখনও দেখেনি। আজ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘মার্চ ফর গাজা’ শিরোনামে আয়োজিত ফিলিস্তিনপন্থী মহাসমাবেশ যেন পরিণত হয় লাখো হৃদয়ের প্রতিবাদ মঞ্চে। এই জনসমুদ্রের প্রতিটি ঢেউ যেন বলে উঠেছে—গাজা, তুমি একা নও!

সকাল থেকেই ঢাকার রাস্তায় একটাই দিক—উদ্যান। দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা জনতা, তরুণদের আগ্রহ, প্রবীণদের অঙ্গীকার, রাজনৈতিক কর্মীদের কণ্ঠ, সাংবাদিকদের কলম—সব মিলে একটাই উচ্চারণ: গাজার পাশে দাঁড়াতে এসেছি।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান উপচে পড়া ভিড়ে কেঁপে ওঠে। এমনকি আশেপাশের রাস্তাও পরিণত হয় মানুষের জোয়ারে। বাতাস কাঁপে স্লোগানে: “ইসরায়েল নিপাত যাক”, “ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ”, “গাজার কান্না থামাও”—ঢাকা শহর যেন এক বিশাল প্রতিবাদের শহর।

জনতার মুখে গাজার প্রতিচ্ছবি

কারও চোখে জল, কারও হাতে পতাকা, কেউ হাত তুলেছে clenched fist-এ—এই মানুষগুলো যেন রূপ নিয়েছে একেকজন গাজাবাসীতে। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত দিয়ে শুরু হয় আয়োজন। শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “গাজার শিশুরা যেসব রাত কাটায়, তা আমাদের ঘুম হারাম করার জন্য যথেষ্ট।”

আজ মঞ্চে নেতা নয়, ছিল গাজার আত্মা

কোনো দল বা ব্যানার নয়, বক্তারা বলেন গাজার গল্প, ৭৫ বছরের দুঃখগাথা। ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, “গাজার মাটি আজ রক্তে রঞ্জিত। তাদের আর্তনাদ আমাদের বিবেক না জাগায়, তবে আর কবে?”

স্লোগানে কাঁপে শহর, দৃশ্যে দুঃখ ও দ্রোহ

একটি শিশু বলল, “আমি গাজার ভাই, শহীদ হতে চাই!”
ঢাকায় তৈরি হয় বিশাল যানজট, কিন্তু কারও মুখে নেই বিরক্তি। ক্লান্তিও যেন আজ পরিণত হয় আত্মত্যাগে।

শেষে মোনাজাত ও প্রার্থনা—হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া মুহূর্ত

মুফতি আব্দুল মালেক লাখো জনতার সঙ্গে মোনাজাতে প্রার্থনা করেন শহীদদের জন্য, গাজার মুক্তির জন্য, আর জালিমদের ধ্বংসের জন্য।

এই প্রতিবেদন কোনো শেষ নয়—এ এক শুরু। বিশ্ব জানুক, বাংলাদেশ গাজার পাশে আছে। গাজার আকাশে যেন প্রতিধ্বনি ওঠে:
“বাংলাদেশ, আমি তোমাকে দেখেছি!”

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..