1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রমজানে সাহরির সময়, ফজিলত ও সুন্নত পালন নির্দেশনা - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ

রমজানে সাহরির সময়, ফজিলত ও সুন্নত পালন নির্দেশনা

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৯ বার পঠিত
সাহরির সময়

রমজানের বরকতময় খাবার সাহরি

সাহরি হলো রাতের শেষ প্রহরে গ্রহণ করা খাবার, যা রোজা পালনের প্রস্তুতি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহান আল্লাহ তাআলা রোজার উদ্দেশ্যে ভোরের আগে সাহরি খাওয়ার বিধান দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) সাহরি খেতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং এটিকে বরকতময় বলে উল্লেখ করেছেন। সাহরি মুসলিম উম্মাহর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য, যা তাদের রোজাকে অন্যদের থেকে পৃথক করে।

সাহরির সময়

সাহরি মূলত ফজরের আগে শেষ রাতের সময়ের খাবার। আল্লামা যামাখশারী (রহ.) বলেন, রাতকে ছয় ভাগ করলে তার শেষ ভাগই সাহরির সময়। মোল্লা আলি কারি (রাহ.) উল্লেখ করেন, রাতের অর্ধেক অতিক্রম করার পর থেকেই সাহরির সময় শুরু হয় এবং ফজরের পূর্ব পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে (মিরকাতুর মাফাতিহ, চতুর্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা-৪১৬)। যদিও শুরুর সময় নিয়ে কিছু মতভেদ রয়েছে, তবে সমাপ্তি সম্পর্কে সবাই একমত—সুবহে সাদিক শুরু হলেই সাহরির সময় শেষ।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা খাও ও পান করো যতক্ষণ রাতের কালো রেখা হতে উষার সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের কাছে প্রতিভাত না হয়। অতঃপর রাত আগমন পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৭) সুতরাং সুবহে সাদিক শুরু হওয়ার পর পানাহার করলে রোজা ভঙ্গ হবে—এ বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই।

সাহরির ফজিলত

সাহরির রয়েছে বিশেষ মর্যাদা ও বরকত। আনাস ইবন মালিক (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা সাহরি খাও, কারণ সাহরিতে বরকত রয়েছে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৮২৩; মুসলিম, হাদিস : ২৬০৩)

আমর ইবন আস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমাদের ও কিতাবধারীদের (ইহুদি-খ্রিষ্টান) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো, সাহরি খাওয়া।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৬০৪)

ইবন উমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা সাহরি গ্রহণকারীদের জন্য রহমতের দোয়া করেন।’ (ইবন হিব্বান, হাদিস : ৩৪৬৭)

সাহরিতে কী খাওয়া উত্তম

সাহরি বরকতময় হলেও অতিরিক্ত আহার করা আবশ্যক নয়। সামান্য পানি পান করলেও সাহরির সুন্নত আদায় হয়ে যায় (ইবন হিব্বান, হাদিস : ৩৪৭৬)। খেজুর দিয়ে সাহরি করা উত্তম। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘মুমিনের উত্তম সাহরি হলো- খেজুর।’ (আবু দাউদ : ২৩৪৭)

অতএব অল্প খাবার হলেও নিয়তের সাথে সাহরি গ্রহণই মূল বিষয়।

শেষ সময়ে সাহরি খাওয়ার সুন্নত

সাহরির সময় দেরি করে শেষ প্রহরে খাওয়াই সুন্নত। যায়দ ইবন সাবেত (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে সাহরি করেছি, এরপর ফজরের নামাজ আদায় করেছি। জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সাহরি ও নামাজের মাঝখানে ৫০ আয়াত তেলাওয়াতের পরিমাণ সময় ছিল (বুখারি : ১৮২১; মুসলিম : ২৬০৬)।

আমর ইবন মায়মুন আল-আওদী (রা.) বলেন, সাহাবায়ে কেরাম ইফতার করতেন দ্রুত এবং সাহরি করতেন দেরিতে (আল-মুসান্নাফ : ৯০২৫; মুসান্নাফু আব্দির রায্যাক : ৭৫৯১)।

ফজরের পূর্বমুহূর্তে সাহরি করলে রোজা রাখা সহজ হয় এবং নামাজের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষাও করতে হয় না। অযথা অনেক আগে সাহরি শেষ করা সুন্নতের পরিপন্থী।

সাহরি ও ফজরের আজান

সাহরির সময় শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পানাহার বন্ধ করতে হবে। আজান দেওয়া বা না দেওয়া সময়ের নির্ধারক নয়; বরং মূল বিষয় হলো সুবহে সাদিকের সূচনা। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে দুইবার আজান হতো—প্রথমটি তাহাজ্জুদ ও সাহরির সময় জাগ্রত করার জন্য, দ্বিতীয়টি ফজরের সময়।

বেলাল (রা.) রাতের শেষভাগে আজান দিতেন। আর অন্ধ সাহাবি আবদুল্লাহ ইবন উম্মি মাকতুম (রা.) ফজরের সময় আজান দিতেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘বেলাল রাতে আজান দেয়। তোমরা খাও ও পান করো যতক্ষণ না ইবন উম্মে মাকতুমের আজান শুনতে পাও।’ (বুখারি : ২৫১৩; মুসলিম : ২৫৮৯)

সাহরি ও ফজর নামাজের ব্যবধান

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহরি ও ফজরের নামাজের মাঝে প্রায় ৫০ আয়াত তেলাওয়াতের সমপরিমাণ সময় থাকত। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ মিনিটে ৫০ আয়াত তেলাওয়াত করা যায়। ফলে শেষ সময়ে সাহরি শেষ করে ফজরের আজানের পর কিছু সময় বিরতি দিয়ে নামাজ আদায় করলে সুন্নত পূর্ণভাবে পালন হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..