বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
৪৪তম বিসিএস মৌখিকে যাচ্ছেন? কোটার সনদ জমা না দিলে বিপদে পড়বেন নিশ্চিত
অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরির স্বপ্নপূরণের দ্বারপ্রান্তে যারা, ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় ডাক পাওয়া সেই সব প্রার্থীদের জন্য এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা। আপনি যদি কোটাভুক্ত কোনো প্রার্থী হন, তবে এখনই প্রস্তুত হন—কারণ মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গ কোটার প্রার্থীদের জন্য সনদপত্র জমা দেওয়া এখন বাধ্যতামূলক।
আজ সোমবার বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী কোটাভুক্ত প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোটার সপক্ষে সনদ বা প্রত্যয়নপত্রের সফটকপি অনলাইনে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার শেষ সময় হচ্ছে আগামী ২৬ জুলাই ২০২৫, সকাল ১০টা।
দাখিলের লিংক: https://forms.gle/cBMPQKMM1F6x5ILE6
এই লিংকে ঢুকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করে সাবমিট করলেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
যেসব প্রার্থী নিচের যেকোনো কোটার আওতায় আবেদন করেছেন:
তাদের প্রত্যেকেরই সরকার স্বীকৃত বৈধ সনদপত্র স্ক্যান করে PDF আকারে নির্ধারিত ফর্মে জমা দিতে হবে।
যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ সনদ জমা না দেন, তাহলে প্রাথমিকভাবে তার কোটার সুবিধা বাতিল হতে পারে। অর্থাৎ, সাধারণ প্রার্থীর কোটায় তাকে বিবেচনা করা হবে, যা প্রতিযোগিতা আরও কঠিন করে তুলবে। তাই শেষ মুহূর্তে ঝুঁকি না নিয়ে এখনই কাজটি করে ফেলাই ভালো।
এই বিসিএসে মোট ১,৭১০ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। পিএসসির ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ সংখ্যা নিম্নরূপ:
বলা বাহুল্য, এই বিসিএস হচ্ছে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের এক সুবর্ণ সুযোগ। শিক্ষা ও টেকনিক্যাল ক্যাডারে বিপুল সংখ্যক নিয়োগ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় আশার বাতি।
চাকরির স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটুখানি অসতর্কতা যেন তা ভেঙে না দেয়। যাঁরা কোটাভুক্ত, তাঁদের এই মুহূর্তেই নিজ নিজ সনদ স্ক্যান করে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া উচিত। সময় মতো না দিলে, দীর্ঘ প্রস্তুতির ফলাফল শূন্য হতে পারে।
তাই আর দেরি নয়—সনদ রেডি করুন, ফর্ম পূরণ করুন, আর মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মন দিন। কারণ এই সুযোগ বারবার আসে না।