1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৮ জুন, ২০২৫
  • ২৭৫ বার পঠিত
পুরো ইউক্রেনের দখল চান পুতিন

পুতিন মুখোশ ফেলেছেন—পুরো ইউক্রেন চান এবার প্রকাশ্যে!
অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবার আর রাখঢাক করছেন না। তিনি খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন—ইউক্রেনের পুরো ভূখণ্ডকেই রাশিয়ার অংশ হিসেবে দাবি করেন তিনি। ২০২৫ সালের ২০ জুন সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে দেওয়া এক জ্বালাময়ী ভাষণে পুতিন বলেন, “আমি বহুবার বলেছি—রুশ ও ইউক্রেনীয়রা এক জাতি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি, পুরো ইউক্রেনই আমাদের।”

গণমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, পুতিন আরও বলেন, “যেখানে রুশ সেনারা পা রাখে, সেই ভূখণ্ড রাশিয়ার। এটা কেবল সামরিক কৌশল নয়, বরং ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ন্যায্যতার অংশ।”

এই উস্কানিমূলক বক্তব্যে বিশ্ব কাঁপছে। ইউক্রেনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “রুশ সেনারা যেখানে যায়, সঙ্গে নিয়ে যায় মৃত্যু, ধ্বংস আর বিভীষিকা।” তিনি রাশিয়ার এই আগ্রাসী মনোভাবকে ২১ শতকের অন্যতম ভয়ংকর হুমকি আখ্যা দেন।

ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও চুপ করে থাকেননি। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “পুতিন এখন মুখোশ ছুঁড়ে ফেলেছেন। শুধু ইউক্রেন নয়, তার নজর বেলারুশ, বাল্টিক অঞ্চল, মলদোভা, দক্ষিণ ককেশাস ও কাজাখস্তানের দিকেও।”

এই মন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো সদস্যদের নতুন করে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত জার্মান সেনাবাহিনীর একটি গোপন কৌশলগত রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুতিনের সম্প্রসারণবাদ এখন ইউরোপের জন্য অস্তিত্বগত হুমকি। রাশিয়া ইউক্রেন সীমান্তে সেনা জড়ো করছে এবং পশ্চিমা সাহায্য না থামলে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে সতর্ক করেছে প্রতিবেদনটি।

পশ্চিমা প্রতিক্রিয়া ও সামরিক সহায়তা জোরদার

পুতিনের এই ঘোষণার পর ইউরোপীয় দেশগুলো ও কানাডা ইউক্রেনকে আরও বেশি সামরিক সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ন্যাটোর নতুন মহাসচিব মার্ক রুটে জানান, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধেই ইউরোপ ও কানাডা মিলে ইউক্রেনকে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা, ড্রোন প্রযুক্তি ও নজরদারি ব্যবস্থা। তিনি বলেন, “আমরা ইউক্রেনের পাশে আছি—রাশিয়ার আগ্রাসন মেনে নেওয়া হবে না।”

এই সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক নীরবতা থেকেও ঘাটতি পূরণে বড় ভূমিকা রাখছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার কারণে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো বড় কোনো সামরিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেনি।

তবে জেলেনস্কি ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি, তবে ইসরায়েলের জন্যও সরবরাহ চালু রয়েছে।”

ক্রেমলিনের হুমকি: অস্ত্র দিলে যুদ্ধবিরতি নয়

এদিকে রাশিয়া আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ না করা হয়, যুদ্ধবিরতির কোনো প্রশ্নই নেই।”

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “যারা সত্যিই শান্তি চায়, তাদের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ইউক্রেনকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করা। কিয়েভকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া শান্তির বিপরীত পথ।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অবস্থান যুদ্ধকে আরও বিপজ্জনক দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটি শুধু ইউক্রেন নয়, গোটা ইউরোপেই ছড়িয়ে পড়তে পারে—এমন হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন কৌশলগত বিশেষজ্ঞরা।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..