1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
সবজির বাজারে সংকটের ঝড়, টিকতে পারছে না মধ্যবিত্ত - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত বাংলাদেশ, বাড়ল ভ্রমণ জটিলতা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সারজিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শরিফ হাদি হত্যা, চার্জশিট দিল ডিবি

সবজির বাজারে সংকটের ঝড়, টিকতে পারছে না মধ্যবিত্ত

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭৮ বার পঠিত
সবজির বাজার

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আড়াই মাস অতিক্রম করলেও নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফেরেনি। শাক-সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে মূল্যবৃদ্ধির ঢেউ লেগেছে। সাধারণ মানুষকে এই মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলাতে কষ্ট করতে হচ্ছে। শুধু নিম্ন আয়ের মানুষ নয়, মধ্যবিত্তরাও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বিভিন্নভাবে ব্যয় কমিয়েও সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাচ্ছেন না। কারণ জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও আয় তেমন বাড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিলেও বাজারে এখনো অস্থিরতা বিরাজ করছে। যদিও গত দু-তিন দিনের মধ্যে ডিমসহ কয়েকটি পণ্যের দাম কিছুটা কমেছে, তবে সামগ্রিকভাবে এর প্রভাব বাজারে পড়েনি।

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখনো বেশির ভাগ সবজির দাম প্রতি কেজি ১০০ টাকার ওপরে রয়ে গেছে। ঢেঁড়স ও পটোলের মতো সাধারণ সবজি ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাল, পেঁয়াজ, ডিম, মুরগি, মাছ এবং ভোজ্য তেল—এমন কোনো নিত্যপণ্য নেই যার দামে স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর পাইকারি কারওয়ান বাজার এবং খুচরা মহাখালী কাঁচাবাজার, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজি ও মুরগির দাম এখনো চড়া।

তবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিম, কাঁচা মরিচসহ কয়েকটি সবজির দাম কিছুটা কমেছে। খুচরা বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম কয়েক দিন আগেও ডজনপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এখন তা কমে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ান বাজারে ডিম ডজনপ্রতি ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে আমদানি করা ও দেশি দুই ধরনের কাঁচা মরিচই পাওয়া যাচ্ছে।

সরবরাহ সংকটের অজুহাতে কাঁচা মরিচের দাম কয়েক দিন আগে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায় উঠে গিয়েছিল। এখন তা কমে খুচরায় ৩২০ টাকায় নেমে এসেছে। তবে এই কয়েকটি পণ্যের দাম কমলেও অন্যান্য সবজি চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে। গোল বেগুন মানভেদে প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, লম্বা বেগুন ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, ঢেঁড়স ও পটোল মানভেদে ৯০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল ১০০ টাকা, আলু ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা এবং লম্বা লাউ প্রতি পিস ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আসা বিভিন্ন সবজির দামে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৬০ টাকার পার্থক্য দেখা গেছে। গতকাল কারওয়ান বাজারে খুচরায় করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা, ঢেঁড়স ও পটোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গোল বেগুন মানভেদে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, লম্বা লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকা এবং টমেটো প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে সবজির দাম বেড়ে যাচ্ছে সরবরাহ ঘাটতি ও বারবার হাতবদলের কারণে। উৎপাদন পর্যায়ে তুলনায় ভোক্তা পর্যায়ে দাম বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ।

রাজধানীর বাড্ডা বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. আরিফ বলেন, ‘বাজারে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম তেমন কমছে না। তবে কাঁচা মরিচ ও টমেটোর দাম বেশ কমেছে। বাজারে সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।’

পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামের বড় পার্থক্যের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, পরিবহন খরচ, প্রায় ২৫ শতাংশ পণ্যের পচনশীলতা এবং ইজারাদারদের অতিরিক্ত খরচের কারণে দাম বাড়ছে। এ কারণে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামের বড় পার্থক্য দেখা যায়।

রাজধানীর খুচরা বাজারগুলোতে এখনো মুরগির দাম চড়া। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১২০ টাকা, দেশি রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের মুরগি বিক্রেতা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মুরগির চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে।’

অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকার উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ঋণের সুদহার বাড়ানোসহ নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছে। চলমান ডলার সংকটের মাঝেও নিত্যপণ্যের আমদানিতে জোর দেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজ, আলু, ডিম, চিনি ও ভোজ্য তেল আমদানিতে শুল্ক কমানো হয়েছে। ভারত থেকে ডিম আমদানির পাশাপাশি ডিম ও মুরগির দামে সীমা বেঁধে দেওয়া, চাঁদাবাজি রোধের বিভিন্ন উদ্যোগ, টিসিবির মাধ্যমে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি বাড়ানো এবং পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। তার পরও বাজারে স্বস্তি আসছে না।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, সড়ক ও বাজারে চাঁদাবাজিসহ ব্যবসায়ীদের অসাধু সিন্ডিকেট পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। সরকারবিরোধী এই চক্র বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমতে দিচ্ছে না। পুরনো সিন্ডিকেট তাদের পুরনো কৌশলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

বগুড়ায় শীতের আগাম সবজি বাজারে আসায় দাম কমছে

বগুড়ার বাজারে শীতকালীন আগাম সবজি উঠতে শুরু করায় দাম কমার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ১৫ দিন আগে টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সবজির দাম দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল। এখন বগুড়ার বিভিন্ন উপজেলায় শীতের সবজি মাঠে শোভা পাচ্ছে এবং বাজারে উঠতে শুরু করেছে। ফলে সবজির দামও কমতে শুরু করেছে। পটোল, বেগুন, কপি—এমন অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজির দাম ১৫ দিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাইকারি বাজারে প্রতিটি সবজির দাম ২০০ থেকে ৫০০ টাকা কমেছে প্রতি মণে। কৃষকরা বলছেন, বাজারে শীতের সবজি আসার কারণে দাম কমছে।

গতকাল উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় সবজির মোকাম বগুড়ার মহাস্থান হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ দিনের তুলনায় প্রতিটি সবজির দাম মণে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা কমেছে। এর মধ্যে করলা ১৫ দিন আগে ৩০০০ থেকে ৩২০০ টাকা মণে বিক্রি হলেও এখন তা ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বেগুন ৩০০০ টাকা মণ থেকে কমে ২৪০০ থেকে ২৬০০ টাকায়, পটোল ২২০০ টাকা থেকে কমে ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকায়, এবং মুলা ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা থেকে কমে ১০০০ থেকে ১৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে মিষ্টিকুমড়ার দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। আগে প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া গেলেও এখন তা ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ১০ টাকা এবং লাল পাকড়ি আলুর দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে।

হাটে সবজি বিক্রি করতে আসা কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আট কাঠা জমিতে মুলার চাষ করেছি। যেখানে ৩০ মণ ফলনের আশা ছিল, বৃষ্টির কারণে মাত্র ১২ মণ ফলন পেয়েছি। এতে বড় ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে হাটে সবজির আমদানি কম। সরবরাহ কম থাকায় এবং কৃষকের ক্ষতি কিছু

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..