1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে পলিথিন ব্যাগের রমরমা ব্যবসা চলছে! - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ

আইন অমান্য করে প্রকাশ্যে পলিথিন ব্যাগের রমরমা ব্যবসা চলছে!

  • সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০২৫
  • ৭৯১ বার পঠিত
পলিথিন নিষিদ্ধ, তবু দাপটের সঙ্গে বিক্রি

নিষিদ্ধ পলিথিন বাজারে, নজরদারি কোথায় প্রশাসনের?

গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
নিষিদ্ধ পলিথিন আবারো ফিরে এসেছে পুরোনো দাপটে। প্রতিদিন বাজারে গেলে চোখে পড়ে পরিচিত এক চিত্র—কেউ খালি হাতে বাজারে যাচ্ছে, ফিরছে পলিথিন ব্যাগ ভর্তি করে। আর এই দৃশ্য এখন যেন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পলিথিন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও যেন কারও কিছু আসে যায় না। অল্প কিছুদিন আগে পর্যন্তও পলিথিন নিষিদ্ধের দাবিতে কিছুটা আলোড়ন দেখা গেলেও এখন সে শব্দ থেমে গেছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবে, অসাধু ব্যবসায়ীদের সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি হওয়ায়, পলিথিন ব্যাগ এখন খোলামেলাভাবেই বিক্রি হচ্ছে শহরের বাজারে, ফুটপাতে, দোকানের গলিতে।

বর্ষা আসলেই এই পলিথিনের আসল ক্ষতির চিত্র ধরা দেয়। বৃষ্টির পানি ড্রেনে নামতে না পেরে জমে থাকে, কারণ ড্রেন গুলো পলিথিনে ঠাসা। এর ফলেই শুরু হয় জলাবদ্ধতা, যার প্রভাব পড়ে রাস্তাঘাট, যান চলাচল ও সাধারণ জনজীবনে। অথচ এই পলিথিন এক সময় নিষিদ্ধ হয়েছিল পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা যেন এখন কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ।

পলিথিন ব্যাগ শুধু জলাবদ্ধতার কারণই নয়, এটি পরিবেশ ধ্বংসের অন্যতম হাতিয়ার। স্বাভাবিকভাবে পলিথিন পঁচে না, বছরের পর বছর ধরে এটি মাটির নিচে অবিকৃত অবস্থায় থেকে যায়। এতে করে মাটির উর্বরতা কমে যায়, পরিবর্তন হয় মাটির স্বাভাবিক গুণাগুণ। যখন এই পলিথিন পোড়ানো হয়, তখন তৈরি হয় বিষাক্ত গ্যাস—পলিভিনাইল ক্লোরাইড থেকে কার্বন মনোক্সাইড, যা বাতাসকে করে তোলে দূষিত। ফলে তা সরাসরি মানুষের শ্বাসযন্ত্রে প্রভাব ফেলে।

শুধু স্থলভাগেই নয়, পলিথিনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়েছে নদী-নালা, খাল-বিল ও সমুদ্র পর্যন্ত। ‘নারডল’ নামে এক ধরনের প্লাস্টিক বর্জ্য পানিতে মিশে নষ্ট করছে সামুদ্রিক পরিবেশ, বিপন্ন করে তুলছে মাছসহ অসংখ্য জলজ প্রাণীর জীবন। সেই মাছ আবার ফিরছে আমাদের খাবারের টেবিলে, আর মাছের পেটে থাকা প্লাস্টিক আমাদের শরীরের মধ্যেও ঢুকে পড়ছে। যার ফল হতে পারে চর্মরোগ, এমনকি মারণব্যাধি ক্যান্সার পর্যন্ত।

দেশজুড়ে যেখানে পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির মুখে, জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে, সেখানে পলিথিনের ব্যবহার চলছেই অবাধে। একদিকে পরিবেশ, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য—উভয়ই আজ বিপন্ন।

এখনই সময় সচেতন হওয়ার। শুধু আইন করলেই হবে না, সেই আইনের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই হবে। পলিথিন ব্যাগ বর্জন করা প্রয়োজন আজই। পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পলিথিনকে ‘না’ বলার এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

প্লাস্টিকমুক্ত ভবিষ্যতের জন্য হোক সোচ্চার আজকের কণ্ঠ—পলিথিন নয়, বিকল্পই হোক নতুন অভ্যাস।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..