1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
চাকরির নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রধান শিক্ষক কারাগারে - Janatar Jagoron
শিরোনাম

চাকরির নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, প্রধান শিক্ষক কারাগারে

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২২২ বার পঠিত
প্রধান শিক্ষক কারাগারে
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

গাইবান্ধায় প্রধান শিক্ষক সেকেন্দার আলীর বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে সাড়ে সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার হয়েছেন একাধিক চাকরিপ্রার্থী, যারা এখন হতাশা আর দারিদ্র্যের মাঝে দিন কাটাচ্ছেন। বর্তমানে প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত এই শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন।

সেকেন্দার আলী জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার মধ্য দামোদরপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি পূর্ব দামোদরপুর এলাকার মৃত শহর আলী বেপারীর ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে তপন কুমার, লিলি বেগমসহ ৪-৫ জন বেকারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু চাকরি না দিয়ে দীর্ঘদিন ঘোরাতে থাকেন। একপর্যায়ে প্রতারিত হয়ে চাকরিপ্রার্থী লিলি বেগম আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ২০২৩ সালের মার্চে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকার পর গত ২০ জানুয়ারি আদালতে হাজিরা দিতে গেলে বিচারক সেকেন্দার আলীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

লিলি বেগম বলেন, ‘সহকারী কম্পিউটার শিক্ষক পদে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাড়ে সাত লাখ টাকা নিয়েছিলেন সেকেন্দার আলী। কিন্তু চাকরি তো দূরের কথা, টাকা ফেরত চাইলে উল্টো আমাদের হুমকি দেন। আমরা অনেক কষ্ট করে টাকা জোগাড় করেছিলাম, এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি।’

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উম্মে ফাতেহা খানম বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক চেকের মাধ্যমে টাকা নিয়েছেন, তাই প্রতারণার অভিযোগে এখন কারাগারে আছেন।’

এ বিষয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. রোকসানা বেগম জানান, ‘অভিযুক্ত শিক্ষক কারাগারে রয়েছেন, আদালতই তার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ বলছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যখন প্রতারণার আখড়ায় পরিণত হয়, তখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কী হবে? এখন প্রশ্ন একটাই—ভুক্তভোগীরা কি তাদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরত পাবেন?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..