1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত ৮ জন শনাক্ত করেছে আইইডিসিআর - Janatar Jagoron

রংপুরের পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত ৮ জন শনাক্ত করেছে আইইডিসিআর

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২০৮ বার পঠিত
গরুর মাংস থেকে ছড়াল অ্যানথ্রাক্স, আক্রান্ত ৮

অনলাইন ডেস্ক,

রংপুরের পীরগাছা সদর ও পারুল ইউনিয়নে অ্যানথ্রাক্স-সদৃশ উপসর্গ দেখা দেওয়া ১২ জনের নমুনা সংগ্রহের পর, তাদের মধ্যে ৮ জনের শরীরে প্রাণঘাতী অ্যানথ্রাক্স সংক্রমণ নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে জানান, “আমরা ১২ জনের নমুনা পরীক্ষা করেছি, এর মধ্যে ৮ জনের শরীরে অ্যানথ্রাক্স শনাক্ত হয়েছে।”

এর আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে পশুবাহিত অজানা রোগে মানুষ আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ পেলে নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর। ঘটনাস্থলে যায় আইইডিসিআরের বিশেষজ্ঞ দল। ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর তারা আক্রান্তদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের একটি দলও সরেজমিনে তদন্ত করে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পীরগাছায় অ্যানথ্রাক্স-সদৃশ উপসর্গে দুইজনের মৃত্যু হয়। একই সময়ে চারটি ইউনিয়নে অন্তত অর্ধশত মানুষ সংক্রমিত হন। অধিকাংশ আক্রান্ত ব্যক্তি অসুস্থ গরুর মাংস খাওয়ার পর বা সরাসরি সংস্পর্শে আসার পর অসুস্থ হন। পরীক্ষাগারে গরুর নমুনাতেও অ্যানথ্রাক্স ধরা পড়ে।

পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত বলেন, “আমাদের হাতে প্রায় ৫০ জন রোগীর তথ্য আছে। এর মধ্যে ৩০ জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। অধিকাংশই অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছেন। সাম্প্রতিক মৃত্যুর কারণ সরাসরি অ্যানথ্রাক্স নয়।”

চিকিৎসকদের মতে, আক্রান্ত গবাদি পশুর রক্ত, মাংস, শ্লেষ্মা বা নাড়িভুঁড়ির সংস্পর্শে এলে মানুষ অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত হতে পারে। তবে মানুষ থেকে মানুষে এ রোগ ছড়ায় না। প্রধান লক্ষণ হিসেবে চামড়ায় ঘা তৈরি হয়।

রংপুরের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রুহুল আমিন বলেন, “পীরগাছার পাশাপাশি মিঠাপুকুর ও কাউনিয়াতেও উপসর্গ পাওয়া গেছে। আরও আটজনের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ রয়েছে এবং চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, গত দুই মাসে অ্যানথ্রাক্সে শতাধিক গবাদি পশু মারা গেছে। তবে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু ছাইদ জানান, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, “জেলায় ১৩ লাখের বেশি গবাদি পশুর মধ্যে ইতিমধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজারটিকে অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধী টিকা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির ও হাটবাজারে সচেতনতা কর্মসূচি চলছে।”

চিকিৎসক ও কর্মকর্তাদের পরামর্শ, মানুষ ও পশু উভয়কেই নিয়মিত টিকা দিলে এ রোগের সংক্রমণ কার্যকরভাবে রোধ করা সম্ভব।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..