1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রোজায় কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে ৭ কার্যকরী টিপস - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রোজায় কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে ৭ কার্যকরী টিপস

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫
  • ১৮৩ বার পঠিত
রোজায় কোষ্ঠকাঠিন্য

সাদিকা জাহান

রোজা রাখার সময় হঠাৎ জীবনযাত্রার পরিবর্তন, পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ না করা এবং অতিরিক্ত ভাজা ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার কারণে অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পড়েন। রোজা রাখার সময় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকতে কী কী পদক্ষেপ নেয়া উচিত, সে বিষয়ে এখানে আলোচনা করা হলো।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ ডিজিজেসের তথ্য অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন প্রায় ২২ থেকে ৩৪ গ্রাম ফাইবার বা আঁশ প্রয়োজন। এই পরিমাণ আঁশ ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়ে শরীরে গ্রহণ করা উচিত। খাবারে আঁশের পরিমাণ কম এবং পানি গ্রহণ কম হলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।

এই সমস্যা থেকে বাঁচতে ইফতারে ফলমূল বেশি খাওয়া উচিত। রাতের খাবারে এবং সাহরিতে শাক-সবজি, সহজপাচ্য খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়া ইসবগুলের ভুষি, লাল আটা ও ঢেঁকি ছাটা চালের ভাত কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক।

পানি খাওয়ার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত মোট আড়াই লিটার পানি খেতে হবে। তবে একবারে অতিরিক্ত পানি খাওয়ার থেকে বিরত থাকুন এবং খাবারের মাঝখানে পানি খাওয়া পরিহার করুন। হাইড্রেটেড থাকতে উচ্চ পানিযুক্ত খাবার যেমন ঘরে তৈরি স্যুপ, শাক-সবজি, ফল, শসা, টমেটো ও তরমুজ খেতে হবে।

সাহরিতে হাইড্রেটিং ফল যেমন তরমুজ, কমলা, বা আমসহ বাদাম, চিয়া বীজ, দই, ফ্ল্যাক্সসিডের স্মুদি রাখা যেতে পারে। এতে শরীর পর্যাপ্ত ফাইবার পাবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমবে।

রোজার সময়ে ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার প্রতিদিন খাওয়ার থেকে সপ্তাহে ১/২ দিন পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে সহায়ক হবে। ইফতারের সময় একবারে পেট ভরে খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। প্রথমে চিনিযুক্ত শরবত বা খেজুর খেয়ে কিছুক্ষণ বিরতি নিন। একেবারে অতিরিক্ত খাবার খেলে পেটের সমস্যা হতে পারে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রোজার সময়ে ব্যায়াম করা একদম নিষেধ নয়। ইফতারের পর ৩০ মিনিট হাঁটলে শরীরও সুস্থ থাকবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও দূরে থাকা সম্ভব হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে এই সহজ পন্থাগুলো মেনে চললে রোজার সময় শরীর সুস্থ ও আনন্দময় থাকবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..