প্রতিদিন সকালের নাশতায় কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে পুষ্টিবিদদের মতামত রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাগর কলার চেয়ে সবরি কলা স্বাস্থ্যকর এবং এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। তবে, খালি পেটে কলা খাওয়া উচিত নয়,
ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্ষতি সম্পর্কে আমরা অনেকেই সচেতন, তবে এটি মস্তিষ্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে, তা অনেকেরই জানা নেই। সম্প্রতি ‘অ্যানিমেটেড বায়োমেডিকেল’ নামক একটি সংস্থা একটি অ্যানিমেশন ভিডিও প্রকাশ
আবুল হাসান রাকিব, উপ-সম্পাদক, জনতার জাগরণ লবঙ্গ একটি প্রাচীন আয়ুর্বেদিক উপাদান, যা এর অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং হজম শক্তির গুণের জন্য সুপরিচিত। এটি শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, বরং নানান স্বাস্থ্য
ডিম প্রোটিনের একমাত্র সেরা উৎস নয়, কিছু সবজি তার চেয়েও বেশি প্রোটিন সরবরাহ করতে সক্ষম। এইসব সবজি শুধু প্রোটিনই নয়, বরং ভিটামিন, খনিজ, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এদের খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত
শীত বিদায় নিচ্ছে, বসন্তের মিষ্টি বাতাসে আগমনবার্তা দিচ্ছে ফাগুন। ঋতু পরিবর্তনের এ সময় শরীরের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া জরুরি, না হলে মৌসুমি অসুস্থতা, পানিশূন্যতা ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তাই এখনই
স্ট্রোক মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে: ইস্কেমিক স্ট্রোক (যখন মাথার রক্তনালির রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়), হেমোরেজিক স্ট্রোক (যখন রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হয়), এবং ট্রান্সিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার
শীতকাল সাধারণত স্বাস্থ্য সমস্যা বৃদ্ধির সময়। ঠাণ্ডা এবং শুষ্ক আবহাওয়ায় সংক্রমণ ও শুষ্কতার সমস্যা বাড়ে। তাই এই সময়ের মধ্যে সুস্থ থাকতে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা খুব জরুরি। বিশেষ করে
লবঙ্গ বহু যুগ ধরে একটি জনপ্রিয় মসলা হিসেবে পরিচিত। বিশেষত এটি মাংস রান্নায় বহুল ব্যবহৃত হয়। আজকাল লবঙ্গ খিচুড়ি, পোলাও কিংবা মসলা চায়েও ব্যবহৃত হচ্ছে। আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতেও লবঙ্গ তেল
শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই। ওজন কমানোর জন্যও শরীরচর্চা অত্যন্ত জরুরি। হাঁটাহাঁটি হলো সবচেয়ে সহজ ও সাধারণ ব্যায়াম। এতে কোনো অতিরিক্ত যন্ত্রপাতি বা উপকরণের প্রয়োজন হয় না। শুধু
প্রতিদিনের রান্নায় বিভিন্ন ধরনের মশলা ব্যবহার করা হয়, যা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যেও সহায়ক। কিন্তু এই মশলাগুলো কি ওজন কমাতে সাহায্য করে? এই প্রশ্ন নিশ্চয়ই আপনার মনে এসেছে। চলুন,