শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকের গুলশানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট!
মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুদক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর এই সম্পত্তির খোঁজ মেলে।
এর আগে সোমবার (১০ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম দাবি করেন, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জসহ পাঁচটি দেশে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ৬৩৫ কোটি টাকার সন্ধান মিলেছে!
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, হংকং ও কেম্যান দ্বীপপুঞ্জে হাসিনা পরিবারের বিপুল সম্পদ পাওয়া গেছে। ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ জমা রয়েছে।
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য—রাজউকের ৬০ কাঠা প্লটসহ ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পত্তি, ৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকার জমিসহ ৮টি ফ্ল্যাটের মালিকানার তথ্য উঠে এসেছে!
টিউলিপ সিদ্দিকের নামও যুক্ত!
ব্রিটেনের লেবার পার্টির সংসদ সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক কিছুদিন আগেও যুক্তরাজ্যের সিটি মিনিস্টার ছিলেন। কিন্তু শেখ পরিবারের দুর্নীতির অভিযোগে জড়িয়ে পড়ায় তিনি মন্ত্রিত্ব ছাড়তে বাধ্য হন!
বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনে সরকারের পতনের পর দুদক হাসিনা পরিবারের বিপুল সম্পদ নিয়ে তদন্ত শুরু করে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে।
দুদক কর্মকর্তারা আগেও টিউলিপের নামে গাজীপুরে বিলাসবহুল বাগানবাড়িসহ আরও কয়েকটি সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছিলেন।
লন্ডনে তার বাড়ি ও ফ্ল্যাটের বিষয়ে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে—এর মধ্যে একটি ফ্ল্যাট তাকে উপহার দেন শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী! কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এই ফ্ল্যাটের অর্থ এসেছে বাংলাদেশ থেকে পাচার করা কালো টাকা দিয়ে!
এখন প্রশ্ন উঠছে—টিউলিপ কি আদৌ এই অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পারবেন, নাকি ব্রিটেনেও আইনের মুখোমুখি হবেন?