1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জামায়াতের আপিল শুনানি বুধবার ১৪মে পর্যন্ত - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

জামায়াতের আপিল শুনানি বুধবার ১৪মে পর্যন্ত

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৩ মে, ২০২৫
  • ২২১ বার পঠিত
জামায়াতের আপিল শুনানি

নিবন্ধন ফিরলে পাল্টে যেতে পারে রাজনৈতিক ভারসাম্য!
অনলাইন ডেস্ক

জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার আপিল এবং দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ পুনর্বহালের আবেদনের শুনানি আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত স্থগিত করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বুধবার পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেন।

জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, যার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

এর আগে ৭ মে আপিল বিভাগ জামায়াতের নিবন্ধন সংক্রান্ত আপিল শুনানির জন্য ১৩ মে নির্ধারণ করে। অথচ ১২ মার্চ যে শুনানি শুরু হয়েছিল, তা কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়াই থেমে যায়।

২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দেন আপিল বিভাগ, যেখানে জামায়াতে ইসলামী তাদের আগের খারিজ হওয়া আপিল পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ পায়। ফলে দলটির নিবন্ধন ও ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ফেরত পাওয়ার জন্য আইনি পথ খুলে যায়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৯৮৬ সাল থেকেই দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছিল। ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তারা সাময়িক নিবন্ধনও পায়। কিন্তু পরের বছরই বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশনের তৎকালীন মহাসচিবসহ ২৫ জন নাগরিক উচ্চ আদালতে এই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।

২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বৃহত্তর বেঞ্চ জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে দলটিকে আপিল করার অনুমতি দেয়। তবে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সে সময় জামায়াতের আবেদন খারিজ করে দেয়।

এই রায়ের ফলে দলটি ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি এবং ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই ইসি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিবন্ধন বাতিল করে।

এরপর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বরের একটি চিঠিতে নির্বাচন কমিশনকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বরাদ্দ না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের মতে, এটি ন্যায়বিচারের প্রতীক হওয়ায় অন্য কোনো সংগঠনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

ফুলকোর্ট সভার সিদ্ধান্তের আলোকে নির্বাচন কমিশন ২০১৭ সালের ৯ মার্চ ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক বাদ দিয়ে নির্বাচনী বিধিমালা সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করে। ফলে প্রতীকটি নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ পড়ে।

তবে ২০১৭ সালের ৮ জানুয়ারি জামায়াতের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে জামায়াত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক ব্যবহার করে আসছে এবং নির্বাচন কমিশন ২০০৮ সালে সেটি বিবেচনায় নিয়ে নিবন্ধন দেয়।

বর্তমানে ইসির নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৫০টি, যার জন্য ৫০টি প্রতীক সংরক্ষিত রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য আছে ২৫টি প্রতীক, তবে কোথাও ‘দাঁড়িপাল্লা’ নেই।

২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর জামায়াতের আপিল বিভাগে শুনানি অনুষ্ঠিত হলেও আইনজীবী অনুপস্থিত থাকার অজুহাতে আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

এদিকে গত ১ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার সরকার জামায়াত ও শিবিরকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮(১) ধারা অনুসারে নিষিদ্ধ করে। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা মাত্র এক মাসের মাথায়, ২৮ আগস্ট সরকার নিজেই প্রত্যাহার করে নেয়।

এখন সব চোখ আপিল বিভাগের দিকে—আজ হয়তো জানা যাবে, জামায়াতের নিবন্ধন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন কতটা বাস্তব।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..