1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
রমজানে সুস্থ থাকতে চাইলে ইফতারে রাখুন এই খাবারগুলো - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি রাষ্ট্রপতি অবসর সুবিধা কী পাবেন মো. সাহাবুদ্দিন

রমজানে সুস্থ থাকতে চাইলে ইফতারে রাখুন এই খাবারগুলো

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩১১ বার পঠিত
রমজানে সুস্থ থাকতে চাইলে ইফতারে রাখুন এই খাবারগুলো

রমজানে ইফতারে স্বাস্থ্যকর খাবার: শক্তি ও সতেজতার চাবিকাঠি

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার শুধুমাত্র ক্ষুধা মেটানোর মাধ্যম নয়, এটি শরীরের পুনরুজ্জীবনেরও গুরুত্বপূর্ণ সময়। সঠিক খাবারের নির্বাচনের মাধ্যমে রোজা রাখার অভিজ্ঞতাকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রোজায় এক-তৃতীয়াংশ কম খাবার গ্রহণ করাই স্বাস্থ্যকর। তাই ইফতার হতে হবে পুষ্টিকর, হালকা ও শক্তিবর্ধক।

পর্যাপ্ত পানি ও হাইড্রেটিং পানীয়

সারাদিন পানি না খাওয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা দুর্বলতা, মাথাব্যথা ও হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই ইফতারে পর্যাপ্ত পানি পান করা অপরিহার্য। খেজুর ভেজানো পানি তাৎক্ষণিক শক্তি দেয় ও হজমে সহায়ক। ডাবের পানি শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে, যা ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর। লেবুর শরবত ও কমলার রস শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে এটি দীর্ঘক্ষণ শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।

খেজুর: প্রকৃতির শক্তির উৎস

খেজুর ইফতারের জন্য একদম পারফেক্ট খাবার। এটি দ্রুত গ্লুকোজ সরবরাহ করে, যা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরের শক্তি ফিরিয়ে আনে। পাশাপাশি এতে প্রচুর ফাইবার থাকায় এটি হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

তাজা ফল: শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে

ইফতারে তাজা ফল রাখা শরীরের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। তরমুজ ও বাঙ্গি শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে, আপেল ও কলার প্রাকৃতিক চিনি দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগায়, পেঁপে ও আনারস হজমে সহায়ক, আর আঙুর ও পেয়ারা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের শক্তিশালী উৎস হিসেবে কাজ করে।

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার: দীর্ঘস্থায়ী শক্তির জন্য অপরিহার্য

প্রোটিন শরীরের পেশি সুস্থ রাখে এবং দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সরবরাহ করে। সিদ্ধ ডিম, গ্রিলড বা সিদ্ধ মুরগি, বেকড মাছ, দই ও ছানা ইফতারের জন্য চমৎকার বিকল্প। এগুলো হালকা হলেও শরীরে পর্যাপ্ত প্রোটিন সরবরাহ করে, যা দীর্ঘক্ষণ কর্মক্ষম রাখে।

শর্করা ও আঁশযুক্ত খাবার: ধীরে শক্তি প্রদানকারী

ছোলা ইফতারের সবচেয়ে প্রচলিত খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। এটি প্রাকৃতিকভাবে প্রোটিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। তবে বেশি মসলা ও তেল ছাড়া সহজ উপায়ে রান্না করাই উত্তম। ওটসও ভালো বিকল্প, যা ধীরে ধীরে শক্তি সরবরাহ করে এবং দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

বাদাম ও বীজজাতীয় খাবার: সুপারফুডের গুণ

কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, তিসির বীজ ও সূর্যমুখীর বীজে প্রচুর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন ও ফাইবার রয়েছে, যা দীর্ঘক্ষণ শক্তি ধরে রাখতে সহায়ক। চিয়া সিড শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওমেগা-৩ সরবরাহ করে।

দই ও লাবান: হজম ও শরীর ঠান্ডা রাখার দাওয়াই

দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া হজমের জন্য উপকারী, যা পেটের সমস্যা দূর করে। লাবান বা টক দইয়ের শরবত শরীরকে ঠান্ডা রাখে এবং ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স বজায় রাখে, যা ইফতারের পর শরীরে তরতাজা অনুভূতি আনে।

রমজানে সুস্থ থাকতে হলে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও প্রসেসড খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনভাবে পুষ্টিকর ও পরিমিত খাবার বেছে নিলে রোজার সময়ও উজ্জীবিত ও কর্মক্ষম থাকা সম্ভব।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..