1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  4. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  5. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  6. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  7. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  8. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  9. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  10. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জামদানির কাপড় দিয়ে তৈরি ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম
কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক তারেক রহমানের নলিয়ান সফরের পর নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা জামালপুরে ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্লাটফর্মের পুষ্টি কর্মপরিকল্পনা মূল্যায়ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন পাঁচ ধাপে চায় বিএনপি ক্যাডেট এএসআই নিয়োগে ভুয়া পরীক্ষার্থীসহ চারজন গ্রেপ্তার জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির যৌথসভা অনুষ্ঠিত ইরানি সেনাবাহিনীর কঠোর জবাবের অঙ্গীকার, চুক্তিতে নতুন শর্ত সাহাবুদ্দিন চুপ্পুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার মামলা বিএনপি নিয়ে জামায়াতের মন্তব্যে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাল এনসিপি

জামদানির কাপড় দিয়ে তৈরি ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২৭ মে, ২০২৫
  • ১৯১ বার পঠিত
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য

জামদানির ঐতিহ্যকে আধুনিকতায় বদলে দিচ্ছেন এক তরুণ উদ্যোক্তা!
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নারায়ণগঞ্জের ডেমরার নাম। আর এই জমকালো ঐতিহ্যের মধ্যে নতুন ধারায় প্রবাহিত হচ্ছেন উদ্যোক্তা ফারহানা মুনমুন, যিনি ডেমরার মেয়ে হওয়ায় জামদানির প্রতি তাঁর ভালোবাসা জন্মসূত্রেই। ‘বেনে বৌ’ নামে তাঁর উদ্যোগ এখন শুধু শাড়ি বিক্রি নয়, জামদানির আপসাইক্লিং ও রিসাইক্লিং-এর মাধ্যমে এক নতুন বাজার তৈরি করেছে, যেখানে দেশ-বিদেশের ক্রেতারা তাঁর পণ্য পছন্দ করছেন।

২০১৮ সালে ছোট পরিসরে শুরু হলেও ২০১৯ সালে ফেসবুকে পেজ খোলার মাধ্যমে ব্যবসা পেয়েছে গতি। করোনার সময়ে তাঁতিদের দুরবস্থা দেখে ফারহানা মুনমুন হতাশ হলেও, একটি চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন: কম লাভে ১০টি জামদানি শাড়ি বিক্রি করার। ফেসবুকে ছবি পোস্ট করতেই শাড়িগুলো বিক্রি হয়ে যায়, যা তাঁকে নতুন আত্মবিশ্বাস দিল।

২০২০ সাল থেকে জামদানির শাড়ির পাশাপাশি তিনি শুরু করেন আপসাইক্লিং ও রিসাইক্লিংয়ের কাজ। জামদানির কাপড় থেকে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, জুতা, গয়না, প্যাচওয়ার্কের জ্যাকেট, স্টোল, পাউচ, কুটি, কুর্তা, ফতুয়া, শাল ইত্যাদি। জামদানির সূক্ষ্ম তাঁতির কাজের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এসব পণ্য তৈরি করা হয় যাতে কনুই বা অন্য যে কোনো অংশ ফেলা না যায়। অনেক সময় শাড়ির নকশা কেটে ফ্রেমে বাঁধা হয়, যা ঘর সাজানোর জন্য দারুণ দেশি উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মাসে গড়ে ৫০ থেকে ১ লাখ টাকা বিক্রি হয় ‘বেনে বৌ’-র পণ্য, আর কখনো কখনো এই আয় পৌঁছে যায় তিন লাখ টাকায়। জামদানির জুতার ক্ষেত্রে তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, যা পানিতে ভিজলেও দ্রুত শুকিয়ে আবার ব্যবহার উপযোগী হয়।

শুরুতে জামদানি শাড়ি কাটার মাধ্যমে তৈরি হতো কুর্তা ও ফতুয়া, কিন্তু কাপড় নষ্ট হওয়ায় তাঁতির সঙ্গে পরামর্শ করে এখন গজ কাপড় ব্যবহার করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বানান ফারহানা। বিদেশিরা এই জামদানির পণ্যের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ দেখাচ্ছেন, তবে তিনি মনে করেন দেশের ব্যবসায়ীরা যথেষ্ট তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন না, যা বাজার সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।

বেনে বৌ’র মাধ্যমে জামদানির ঐতিহ্যকে আধুনিক রূপে ধরে রেখে নতুন বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন ফারহানা মুনমুন—একজন প্রগতিশীল নারী উদ্যোক্তা যিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক সুদূরপ্রসারী সেতুবন্ধন গড়ছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..