বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
১৭ বছর পর দেশে ফিরে জামিনে মুক্ত জুবাইদা!
অনলাইন ডেস্ক
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে সাজাপ্রাপ্ত হলেও হাইকোর্ট তাকে জামিন দিয়েছেন।
বুধবার (১৪ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে তার সাজা থেকে খালাস চেয়ে করা আপিলটি গ্রহণ করা হয়। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনে থাকবেন তিনি। পাশাপাশি মামলার যাবতীয় নথি তলব করা হয়েছে।
এর আগের দিন, মঙ্গলবার (১৩ মে) হাইকোর্ট তার ৫৮৭ দিন বিলম্বে আপিল দায়েরের আবেদন মঞ্জুর করে। পরে দ্রুতই আপিল ও জামিন আবেদন জমা দেন জুবাইদা।
আদালতে তার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহাজান, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আসিফ হাসান। শুনানি শেষে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, “সাজার বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। বিচারিক আদালতের সব নথি তলব করা হয়েছে।”
এই মামলায় ২০২৩ সালের ২ আগস্ট ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. আছাদুজ্জামান রায়ে তারেক রহমানকে ৯ বছর এবং জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন।
তবে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে জুবাইদা রহমানের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে। সেখানে বলা হয়, জুবাইদা রহমানের আবেদনের পর আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে দণ্ডাদেশ স্থগিত করা হয়।
জুবাইদা রহমান ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে যান। সেখানেই ১৭ বছর কাটান তিনি। চলতি বছরের ৬ মে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরেন।
ফেরার পরই ৫৮৭ দিন বিলম্বে আপিল দায়েরের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন হাইকোর্টে। আজ সেই আবেদন শুনানি তালিকায় আসে এবং আদালত তা মঞ্জুর করে।
২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় জুবাইদা রহমান, তারেক রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরের বছর তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।