1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
শাটডাউনের পর এনবিআর সচল, কিন্তু সংকেত থমথমে - Janatar Jagoron

শাটডাউনের পর এনবিআর সচল, কিন্তু সংকেত থমথমে

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ১৯৫ বার পঠিত
এনবিআর সচল

🔥 দাবিতে উত্তাল রাজস্ব ভবন এখন ধীরে শান্ত, কিন্তু ভেতরে ঢেউ চলছে…
আন্দোলন শেষে এনবিআরে ফিরেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, তবে আস্থার সংকট এখনো গভীরে।
অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ এক মাসের টানাপোড়েন, ধ্বংসপ্রায় আমদানি–রপ্তানি ব্যবস্থা, সরকারের কঠোর বার্তা আর ব্যবসায়ীদের তৎপর সমঝোতার পরে অবশেষে সোমবার সকালে কাজের টেবিলে ফিরলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সকাল ৯টার মধ্যে এনবিআরের অফিসে একে একে হাজির হন সব স্তরের কর্মকর্তা। চোখেমুখে ক্লান্তি, কিন্তু দপ্তরের চেনা কাজের ব্যস্ততা ফেরানোই যেন ছিল প্রথম লক্ষ্য।

তবে অফিস রুমে ঢুকে কম্পিউটারে পাসওয়ার্ড টাইপ করলেও মন পড়ে আছে আন্দোলনের দিনগুলোতে—এমন মনোভাবই ধরা পড়েছে অনেকের কথায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, “যদিও কাজে ফিরেছি, কিন্তু মনে হচ্ছে অফিস এখনো আন্দোলনের রেশে আটকে আছে। কেউ চুপচাপ, কেউ আবার ফিসফিস করে শনিবারের কঠোর কর্মসূচির বিশ্লেষণ করছেন।”

🏗️ শাটডাউনের পর শুল্ক স্টেশনেও ফিরে এসেছে গতি

চট্টগ্রাম বন্দর, বেনাপোল, ঢাকা কাস্টম হাউস, ভোমরা, আখাউড়া, সোনা মসজিদ, বুড়িমারী—সব স্থলবন্দরেই শুরু হয়েছে শুল্কায়ন। বাণিজ্যের চাকাটা আবার ঘোরাতে মরিয়া সবাই।
তবে কাজের ছন্দ পুরোপুরি ফিরেছে বলা যাচ্ছে না। কয়েক দিনের অচলাবস্থার জের এখনো কাটেনি। এক কর্মচারী জানালেন, “কম্পিউটার খুলেছি ঠিকই, কিন্তু ফাইল জমে পাহাড়। কাজ একদিকে, মানসিক দোলাচল আরেকদিকে।”

🔄 বদলি আতঙ্ক আর দ্বিধার রাজনীতিতে আন্দোলনের পরে থমথমে অবস্থা

এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে চলা আন্দোলনের প্রথম সারির নেতারা বদলির আতঙ্কে দিন গুনছেন।
সংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকার হয়তো এখন চুপচাপ থাকলেও, ভিতরে ভিতরে শাস্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যৌথ বৈঠকে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতারাও।
গতকাল অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন আন্দোলন প্রত্যাহারের।

তবে আন্দোলনকারীদের মনে এখনো একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—“আমরা কি আসলেই জিতেছি, না শুধু সাময়িক বিরতি?”

🧩 আইনি সংস্কার: ভালো উদ্যোগ না ভিতর থেকে নিয়ন্ত্রণ?

মূল ঘটনাপ্রবাহ শুরু ১২ মে। সেদিন সরকার অধ্যাদেশ জারি করে বিলুপ্ত করে এনবিআর ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) এবং গঠন করে দুটি নতুন বিভাগ—রাজস্ব নীতি বিভাগরাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ
সরকারের যুক্তি ছিল, কর আদায় ও নীতিগত কাজ পৃথক করলে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বাড়বে।

কিন্তু এনবিআরের কর্মকর্তারা বলেন, পদায়নের ক্ষেত্রে যদি প্রশাসন ক্যাডারের আধিপত্য চলে আসে, তাহলে তাদের পেশাগত অগ্রগতির রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে।
তারা চান রাজস্ব খাতের অভিজ্ঞ জনবলকেই প্রাধান্য দেওয়া হোক।

এই দাবির বাইরে আন্দোলনকারীরা আরও একধাপ এগিয়ে এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের পদত্যাগও চেয়েছেন।

🚨 সরকারও শক্ত হাতে নামে মাঠে

একদিকে যখন সমঝোতা চলছে, অন্যদিকে সরকার জানিয়ে দেয়, এনবিআরের চাকরি ‘অত্যাবশ্যক সেবা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এবং আন্দোলনের সূত্রে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।
সরকার বুঝিয়ে দিয়েছে, যে আন্দোলনে দেশের অর্থনীতির চাকা থেমে যায়, তার জবাব দিতে হবে।

✅ আন্দোলনের ইতি মানেই কি ইস্যুর সমাপ্তি?

এনবিআরের কর্মীরা আপাতত কাজে ফিরেছেন, তবে সংকটের মেঘ এখনো কাটেনি।
অভ্যন্তরীণ আলোচনায় অনেকেই বলছেন, এই আন্দোলন ছিল শুধু শুরু—এখন চলছে দাবির বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ পর্ব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের উচিত হবে এই সংকেতগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা, যাতে ভবিষ্যতে এমন কোনো অচলাবস্থা আবার না তৈরি হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..