শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন
কোচিং সেন্টার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান নয় উল্লেখ করে সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার আইনি ক্ষমতা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে বিদ্যালয় ও কলেজে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে কোচিং সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোচিং সেন্টার সরকারিভাবে নিবন্ধিত বা স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান নয়। ফলে এগুলো বন্ধ করার সরাসরি এখতিয়ার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই। তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও কার্যকর পাঠদান না পাওয়ার কারণেই কোচিংমুখী হয়ে পড়ছে।
তিনি জানান, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা আরও উন্নত ও ফলপ্রসূ করা গেলে এবং ভর্তি পরীক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যকার দীর্ঘ বিরতি কমানো সম্ভব হলে কোচিংয়ের ওপর নির্ভরতা স্বাভাবিকভাবেই হ্রাস পাবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ভবিষ্যতে ‘ইন-হাউজ কোচিং’ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিতে চায়। অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষকদের মাধ্যমেই অতিরিক্ত পাঠদানের ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। এতে বাইরের কোচিং সেন্টারের প্রয়োজন কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমি তো এত স্মার্ট না, বুঝি নাই যে কোচিং সেন্টার প্রশ্ন ফাঁস করে।”