1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
জুতার স্বর্গ, যেখানে পা মেপেই বানানো হয় - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

জুতার স্বর্গ, যেখানে পা মেপেই বানানো হয়

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫
  • ২৮৯ বার পঠিত
জুতার স্বর্গ

পায়ের জন্য রাজকীয় শৌখিনতা, হাতে বানানো জুতার এই রাজ্য ঢাকার বুকে লুকানো
অনলাইন ডেস্ক

অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও যখন পেলাম না, তখন ভাবলাম—নেমেই দেখি আশপাশে। ঠিক তখনই জিগাতলার জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের গলির মুখে রিকশা থামিয়ে নামতে যাব, রিকশাচালক মামা হেসে বললেন, ‘চলেন, এক্কেবারে কারখানার সামনেই নামিয়ে দেই।’ এরপর আরেকটু সামনে গিয়েই চোখে পড়ল হাতে বানানো জুতার এক অভূতপূর্ব রাজ্য। যদিও ঠিকানা ধানমন্ডি ৮/এ, মানুষ এখনো বলে পুরোনো ১৫ নম্বর রোড।

রাস্তাজুড়ে একের পর এক জুতার দোকান—দ্য নিউ সঞ্জীব শুজ, জোনাকি শুজ, নিউ বাবুল শু অ্যান্ড লেদার ক্র্যাফট, গোলাপ শুজ, অপর্ণা শুজ, নিউ রোড স্টার শুজ—আরও কত নাম! দোকানের ভিতর স্তরে স্তরে সাজানো জুতা, চলছে অর্ডার নেওয়া, বুঝিয়ে দেওয়া আর নকশা বাছাইয়ের ব্যস্ততা।

উত্তরার তাহসিন আহমেদ খান এসেছেন নিউ বাবুল শু অ্যান্ড লেদার ক্র্যাফটে, হাতে কাউবয় বুটের নকশা। ঘোড়ায় চড়ার সময়ের জন্য চাই এমন বুট, যা হাঁটু অবধি উঁচু আর রাফ অ্যান্ড টাফ। দোকানের ম্যানেজার গণেশ রবিদাস জানালেন, চামড়ার এই একজোড়া বুটের দাম ১৫ হাজার টাকা হলেও, আজ প্রথম ক্রেতা হওয়ায় ১৩ হাজারেই পাচ্ছেন তাহসিন।

এখানে শুধু উত্তরা নয়, টঙ্গী, ময়মনসিংহ, খুলনা, এমনকি সিলেট থেকেও মানুষ আসে মাপমতো, পছন্দের নকশায় আসল চামড়ার জুতা বানাতে।

দোকানের পেছনেই ছোট্ট ঘরের ভেতর চলছে কারিগরদের নিপুণ কাজ। বাবু রবিদাস, যিনি ১৯৫৪ সাল থেকে জুতা বানাচ্ছেন, জানালেন—উপরের মেঝেতে চামড়া কেটে তৈরি হয় ‘আপার অংশ’। এরপর কাঠের ছাঁচে সেট করে গঠন, তারপর রং-ফিনিশিং। দিলীপ রবিদাস তিন দিন ধরে শুকিয়ে দেন ফাইনাল টাচ।

এই দোকানগুলোতে ফরমাল, লোফার, চেলসি বুট, নাগরা, স্নিকার থেকে শুরু করে যে কেউ চাইলে নিজের পায়ের জন্য একদম পারসোনালাইজড জুতা বানিয়ে নিতে পারেন। নারীদের বা শিশুদের জুতা বানানো হয় না, তবে অর্ডার বড় হলে সম্ভব।

দাম শুরু মাত্র ১৫০০ টাকা থেকে। তবে কারুকাজ, ডিজাইন ও ফিনিশিংয়ের ভিন্নতায় সেটা ১৮ হাজার পর্যন্ত উঠতেও পারে। মাপের বাইরে বা অস্বাভাবিক গড়নের পায়ের জন্যও এই কারিগররাই যেন পরম বন্ধু। পছন্দের রঙে, আসল চামড়ায়, ছয় মাস থেকে এক বছরের ওয়ারেন্টিসহ এমন জুতা আর কোথায় পাবেন বলুন?

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..