1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
শতাব্দী পেরিয়ে টিকে থাকা করটিয়া হাটের শাড়ির গল্প - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম

শতাব্দী পেরিয়ে টিকে থাকা করটিয়া হাটের শাড়ির গল্প

  • সর্বশেষ আপডেট: শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
  • ১৬৮ বার পঠিত
শাড়ির গল্প

যেখানে শাড়ির গল্প বলে শতাব্দীজুড়ে ইতিহাস, সেই হাটের নাম করটিয়া!
অনলাইন ডেস্ক

একটা শাড়ির পেছনে থাকতে পারে শত বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর গল্প। আর টাঙ্গাইলের করটিয়া হাট যেন সেই গল্পগুলোর সুরভিত পাতাগুলো জুড়ে রাখে আজও। এক সময় মসলিন শাড়ির জন্য বিখ্যাত ছিলেন টাঙ্গাইলের তাঁতিরা। সেই ঐতিহ্যের উত্তরসূরি আজকের জামদানি আর বেনারসি, যাদের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে এই করটিয়া হাট।

অষ্টাদশ শতকে টাঙ্গাইলের করটিয়ার জমিদাররা বুঝেছিলেন, এই অঞ্চলের তাঁতশিল্প টিকিয়ে রাখতে হলে চাই একটি বড় বাজার। সেই ভাবনা থেকেই ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ওরফে চাঁদ মিয়া গড়ে তোলেন করটিয়া হাট, তখনকার নদীবন্দর ঘিরে। আজ টাঙ্গাইল শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরেই দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ কাপড়ের পাইকারি বাজার এটি।

প্রায় ৪৫ একর জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই হাট সপ্তাহে বসে দু’দিন—মঙ্গলবার ভোর থেকে বুধবার রাত অবধি পাইকারি আর বৃহস্পতিবার খুচরা বিক্রির জন্য। এখানে হাজারো ব্যবসায়ী একত্রিত হন, আর ক্রেতাদের ঢল নামে দূরদূরান্ত থেকে। শাড়ির পসরা যেমন টাঙ্গাইলের বিখ্যাত পাথরাইল, বল্লা, রামপুর, কালিহাতী, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী বা ইসলামপুর থেকে আসে, তেমনই থ্রি–পিস, পাঞ্জাবির কাপড়, গামছা, তোয়ালে, লুঙ্গি—সবই মেলে ন্যায্য দামে।

হাটের রঙিন শাড়িগুলো শুধু এই বাজারেই নয়, উঠে গেছে শহরের বড় বড় শপিং মলেও। আর এখনকার অনলাইন ভিত্তিক শাড়ির ব্যবসাগুলোর বড় ভরসাও এই করটিয়া হাট। পাইকারি দামে এখানে শাড়ি পাওয়া যায় অর্ধেক দামে, যেগুলো খুচরায় বিক্রি হয় দ্বিগুণে।

ব্যবসায়ী বিদ্যুৎ মিয়া জানান, “১৫ বছর ধরে এই হাটেই ব্যবসা করছি। কোভিডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলাম। এখন সুতার দাম, মজুরি সব বেড়েছে, তারপরও আমরা এই পেশা ছাড়তে পারি না। এটাই আমাদের রুটি-রুজি।” সিরাজগঞ্জ থেকে আসা মোখলেছউদ্দিনের কণ্ঠে কিছুটা আক্ষেপ, “আগে বেচাকেনা বেশি হতো। এখন খরচ বেশি, তাঁতের সংখ্যা কমে গেছে।”

তবুও, প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আজও সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে এই হাটের সঙ্গে জড়িত। এখানকার শাড়ি রপ্তানি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, মালয়েশিয়া, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যেও। করটিয়া হাট শুধু একটি বাজার নয়, এটি টাঙ্গাইলের তাঁতিদের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর স্বপ্নের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..