1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করলে, আমি বলি: বাঁধন - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
আপিল শুনানির প্রথম ঘণ্টায় পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল স্কাইডাইভিংয়ে একসঙ্গে ৫৪ পতাকা উড়িয়ে গিনেস রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ তেজতুরী বাজারে মোসাব্বির হত্যা: রহস্য উদঘাটন, চারজন গ্রেপ্তার নির্বাচনে কোনো দলের জন্য বাড়তি সুযোগ নেই: প্রেস সচিব ইসিতে আপিল শুনানির প্রথম দিনে ১৬ প্রার্থিতা বাতিল ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় ইসির নতুন পরিপত্র জারি আগামী বাজেট থেকেই অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় যুক্ত বাংলাদেশ, বাড়ল ভ্রমণ জটিলতা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সারজিসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দুদক রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় শরিফ হাদি হত্যা, চার্জশিট দিল ডিবি

কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করলে, আমি বলি: বাঁধন

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ২০৯ বার পঠিত
বাঁধন

গণমাধ্যম: শুভ জন্মদিন! জন্মদিনে আপনার পরিকল্পনা কী?
আজমেরী হক বাঁধন: ধন্যবাদ! জন্মদিনে বিশেষ কিছু ভাবিনি।

গণমাধ্যম: অনেকেই জন্মদিন এলেই বয়স নিয়ে চিন্তা করেন। আবার কেউ বলেন, বয়স তো শুধু একটি সংখ্যা। আপনার কী ভাবনা?
আজমেরী হক বাঁধন: আমার কাছে বয়সটা শুধুই বয়স। তাই আমি বিশেষভাবে কিছু চিন্তা করি না। প্রতিটি বয়স পার করে এখন ৪১ বছরে আছি। আশা করি সামনে আরও অনেক বছর বেঁচে থাকব এবং নানা অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাব। মনে হয়, ৪০ বছর পার হওয়ার পরে আমি নতুনভাবে আবিষ্কার করেছি নিজেকে, গত বছর। সেটি আমার কাছে খুব চমৎকার লেগেছে। নতুন করে যেন জন্ম হয়েছে—চিন্তায়, মননে, জীবনযাত্রায়, সব কিছুতে। আমার স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, আত্মবিশ্বাস এবং সম্মান সবই বেড়েছে। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে, ৪০ বছরে ঢুকে পড়ার মাধ্যমে নতুন জীবনের সূচনা হয়েছে।

গণমাধ্যম: ছাত্র–জনতার আন্দোলনে আপনি শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলেন।
আজমেরী হক বাঁধন: এখন কিছুটা অস্বস্তি বোধ করছি। আশা করি, অস্বস্তিটা কিছুদিনের মধ্যে কাটিয়ে উঠতে পারব। বর্তমান পরিস্থিতিই আমাদের অস্বস্তির কারণ। আমরা একটি অস্থিতিশীল অবস্থায় আছি। আসলে এমন একটি শাসনব্যবস্থায় ছিলাম, সেখানে নতুন সরকার এসে, সুন্দরভাবে পরিস্থিতি গড়ে তোলা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। আমরা জনগণও ভীষণ অস্থির। নানা ধরনের ঘটনা ঘটছে, সেগুলোতে অস্বস্তি হওয়াটাও স্বাভাবিক। একটি নষ্ট রাষ্ট্রব্যবস্থাকে সঠিক করার কঠিন চ্যালেঞ্জ তো আমাদের সরকার ও জনগণের। সেই জায়গা থেকে মনে হয়, আশপাশে অস্থিরতা কাজ করছে, সেটিতে অস্বস্তিবোধ হচ্ছে।

গণমাধ্যম: অভিনয় থেকে অনেক দিন দূরে আছেন।
আজমেরী হক বাঁধন: এ বছরে আমার দুটো সিনেমার কাজ শুরুর কথা ছিল। একটি সেপ্টেম্বরের জন্য এবং অন্যটির শুটিং ডিসেম্বরে হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে একটি কাজ সম্ভবত বাতিল হয়ে গেছে এবং অন্যটি পিছিয়েছে; আগামী ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। নভেম্বরে এশা মার্ডার ছবির বাকি অংশের শুটিং করব। রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিতের ‘মাস্টার’ ছবিটি করেছি। কাজের কথা আসলে খুব বেশি হয়নি। গত ৫ বছরে আমি যেভাবে জীবনযাপন করেছি, সেভাবে খুব বেশি কাজ করা হয়নি। ‘রেহানা মরিয়ম নুর’ করেছি, তারপর প্রায় তিন বছরের বিরতি নিয়েছি। এরপর ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেনি’ করেছি, ‘খুফিয়া’ করেছি, পরে ‘এশা মার্ডার’ এবং ‘মাস্টার’ করেছি। খুবই কম কাজ করেছি। চেষ্টা করেছি, যে ধরনের কাজ করতে চাই, সেটি যেন করতে পারি। এজন্য গত পাঁচ বছরে খুব বেশি কাজ আমার ছিল না। এতে আমি হতাশও নই।

গণমাধ্যম: সার্বিকভাবে চলচ্চিত্র মন্থর, নতুন সিনেমা সেভাবে মুক্তি পাচ্ছে না, শুটিংও কম হচ্ছে।
আজমেরী হক বাঁধন: কাজ হবে। দেশের অবস্থা, সবার অবস্থাও এক রকম অস্বস্তির মধ্যে আছে। আমি তো দেখি, অনেকে শুটিং করছে। বিজ্ঞাপন হচ্ছে, অনেক পরিচালক সিনেমা বানাচ্ছেন, পরিকল্পনাও করছেন। আমার কাছে মনে হয় না, খুব একটা ঝামেলা হবে।

গণমাধ্যম: আপনি তো মুম্বাই, কলকাতায় কাজ করেছেন। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে আরও পেশাদারি আনার জন্য আর কী করা যেতে পারে?
আজমেরী হক বাঁধন: জাতি হিসেবে আমাদের আগে বিচক্ষণ হতে হবে। পেশাদারির সঙ্গে আমাদের একেবারে অপরিচিত। পেশাদারি বলতে আমরা কী বুঝি, সেটা আমরা নিজেরাও জানি না। সত্যি বলতে, যদি আমাদের দেশে পেশাদারি শুরু হয়, তাহলে কাজের গুণগত মান আরও ভালো হবে। মানুষ আরও আরামে কাজ করতে পারবে।

গণমাধ্যম: এই আন্দোলন শিল্পী হিসেবে আপনার ওপর কী প্রভাব ফেলেছে?
আজমেরী হক বাঁধন: শিল্পী হিসেবে আলাদা কী প্রভাব ফেলেছে, সেটি আলাদা করে বলা কঠিন। তবে একজন মানুষ হিসেবে কী কী প্রভাব ফেলেছে, তা বলতে পারি। আসলে আমরা একটা শাসনব্যবস্থায় ছিলাম, যেখানে আমরা সবাই স্টকহোম সিনড্রোমে ছিলাম। এমন এক শাসনব্যবস্থাতেও আমরা নিজেদের মানিয়ে নিয়েছিলাম। স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার পতন ঘটেছে, সেটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আনন্দের। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের ভূমিকা দেখে বাংলাদেশ নিয়ে আমি আশাবাদী। ৫ আগস্টের পরবর্তী সময় আমাদের জন্য কঠিন ছিল। এতে সন্দেহ নেই, আমরা কঠিন সময় পার করেছি এবং এখনো করছি। দেশের প্রতিটি সেক্টর আসলে বিধ্বস্ত, দুর্নীতিতে নিমজ্জিত, নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিটি সেক্টরে নতুন করে সংস্কার এবং সচল করা সত্যিই কঠিন কাজ। সে কাজটি এখন যারা সরকারে আছেন, তারা করছেন। ছাত্র-জনতা সকলে সমর্থন করছে, সেটি দেখে ভালো লাগছে। আশা করি, ভোটের মাধ্যমে যে সরকার আসবে, তারা দেশ সচেতনভাবে পরিচালনা করবে। তাদের মধ্যে স্বৈরাচারী মনোভাব যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেটি আশা করব।

গণমাধ্যম: কেউ কেউ বলছেন, কিছুদিন আগেও আপনি বিভিন্ন ইস্যুতে বেশ সোচ্চার ও সক্রিয় ছিলেন, হঠাৎ চুপ হয়ে গেছেন। কারণ কী?
আজমেরী হক বাঁধন: আমি কখন কথা বলব, কোন বিষয়ে কথা বলব, কী কথা বলব—সেটি আমার একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আপনারা যদি আমার লাইফের ট্র্যাকটা দেখেন, তাহলে দেখতে পারবেন, যখন যেখানে মনে হয়েছে, আমি বলেছি। যেখানে মনে হয়েছে আমি বলতে চাই না, সেখানে আমি চুপ আছি। এ রকম নয় যে হঠাৎ করে এমন কিছু ঘটেছে। জীবনের এই বাঁকবদল আমার আছে। যখন আমার মনে হয় চুপ থাকা দরকার, আমি চুপ হই। যখন মনে হয় কথা বলা প্রয়োজন, তখন কথা বলি। এটা একান্তই আমার নিজস্ব, বাঁধনের ব্যাপার।

সূত্র: প্রথম আলো

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..