1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
২০২৪ সালে জনপ্রিয় খাদ্যাভ্যাস ও পানীয়: স্বাস্থ্য সচেতনতার নতুন ধারা - Janatar Jagoron

২০২৪ সালে জনপ্রিয় খাদ্যাভ্যাস ও পানীয়: স্বাস্থ্য সচেতনতার নতুন ধারা

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৩৭ বার পঠিত
জনপ্রিয় খাদ্যাভ্যাস
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

২০২৪ সালে এসে অনেকেই কাছের মানুষের অকালপ্রয়াণ দেখে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হয়েছেন। আবার কেউ কেউ স্থূলতা এড়াতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলেছেন। এর মধ্যে গোটা শস্যজাতীয় খাবার এবং বিশেষ কিছু পানীয়র জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এখানে থাকছে এমন কিছু খাদ্যাভ্যাসের বর্ণনা, যা এ বছর বেশ আলোচিত।

চিয়া সিড

অধিকাংশ মানুষ চিয়া সিড পানিতে সারারাত ভিজিয়ে সকালে খান। এতে বীজটি প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে এবং আঠালো, থকথকে আকার ধারণ করে।

বীজজাতীয় খাবার বরাবরই পুষ্টিকর। এর মধ্যে চিয়া সিড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মিন্ট গোত্রের এই বীজ শরীরের জন্য অপরিসীম শক্তির উৎস। স্বাস্থ্যসচেতন মানুষজনের খাদ্যতালিকায় এটি এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। সঠিক নিয়মে চিয়া সিড খেলে তা ওজন কমাতে সহায়ক হয়। ২ চামচ চিয়া সিডে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা দৈনিক চাহিদার প্রায় অর্ধেক পূরণ করতে পারে। সকালের নাশতায় মাত্র ২ চা–চামচ চিয়া সিড খেলে ৩–৪ ঘণ্টা ক্ষুধামুক্ত থাকা যায়। এছাড়া এক গ্লাস পানিতে ১ চা–চামচ লেবুর রস ও ১ চা–চামচ মধু মিশিয়ে খালি পেটে চিয়া সিড খেলে মেদ কমাতে সহায়তা করে।

সূর্যমুখীবীজ

ক্ষুধা দমন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর অসাধারণ ক্ষমতার জন্য সূর্যমুখীবীজ জনপ্রিয়।

এই বীজে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম এবং সেলেনিয়াম। এসব উপাদান ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সূর্যমুখীবীজ হালকা ভেজে বা অন্য স্ন্যাকসের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়। ক্ষুধার্ত অবস্থায় স্ন্যাকস হিসেবে মিক্সড ড্রাই ফ্রুটসে এটি যোগ করা যায়।

কুমড়ার বীজ

উচ্চ প্রোটিনযুক্ত কুমড়ার বীজ দেহের ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে।

কুমড়ার বীজে থাকা উপকারী ফ্যাট এবং ম্যাগনেশিয়াম রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। এই বীজ দিনের যেকোনো সময়ে হালকা ভেজে খাওয়ার উপযোগী। এছাড়া এটি শরীরকে শক্তিশালী করে এবং স্ন্যাকস হিসেবেও চমৎকার।

ওটস

ওটস সকালের সেরা নাশতা এবং সারা দিনের শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।

পুষ্টিবিদেরা ওটসকে বিশ্বের অন্যতম পুষ্টিকর শস্য হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। ২০২৪ সালে বিভিন্নভাবে ওটস খেতে দেখা গেছে। দুধ, ফল ও মধুর সঙ্গে মিশিয়ে, পিঠার মতো সেঁকে বা স্মুদির উপাদান হিসেবে ওটস ব্যবহৃত হয়েছে। ওটস দিয়ে তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্যকর কেক, বিস্কুট, রুটি এবং ফ্রাইড রাইস। ২০২১ সালে জার্নাল অব নিউট্রিশনে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ওটসে থাকা ফাইবার পাকস্থলীতে দীর্ঘক্ষণ তৃপ্তি বজায় রাখে এবং অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ কমায়।

ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক

খেলোয়াড় ও স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের কাছে ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক জনপ্রিয় পানীয় হয়ে উঠেছে।

ব্যায়াম বা রোদে ঘাম ঝরানোর ফলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়লে ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি দেখা দেয়। ইলেকট্রোলাইট হলো সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য খনিজ, যা বৈদ্যুতিক চার্জ বহন করে। শরীরে এর ঘাটতি পূরণে ইলেকট্রোলাইট ড্রিংক অত্যন্ত কার্যকর। এটি শুধু শরীরকে আর্দ্র রাখে না, বরং শক্তি জোগায়।

আপেল সিডার ভিনেগার

ওজন কমানোর জন্য আপেল সিডার ভিনেগার ব্যবহার বাড়ছে।

এই ভিনেগার তৈরি হয় আপেল, ইস্ট এবং চিনি থেকে। এতে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড মেটাবলিজম প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। যদিও এর উপকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক তথ্য সীমিত, তবুও ওজন কমানো এবং ভালো কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে। তবে যাঁরা বিশেষ কিছু ওষুধ গ্রহণ করেন, তাঁদের জন্য এটি উপযুক্ত নয়।

স্মুদি

স্বাস্থ্যকর স্মুদি এখন শহুরে মানুষের পছন্দের পানীয়।

ফল, শাকসবজি, দুধ, বাদাম এবং মধুর সমন্বয়ে তৈরি স্মুদি দেহের টক্সিন বের করে ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে। ওজন কমানো এবং শরীরকে চাঙা রাখতে স্মুদি দারুণ সহায়ক। ত্বকের যত্ন থেকে শুরু করে দেহের শক্তি বৃদ্ধিতে স্মুদি অন্যতম পানীয়।

২০২৪ সালের এই খাদ্যাভ্যাসগুলো কেবল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়, বরং এগুলো দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বক উজ্জ্বল করা এবং শক্তি জোগানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..