সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
গর্ভধারণের আগে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকলেও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর অনেক নারী নানা শারীরিক জটিলতার মুখোমুখি হতে পারেন। এর মধ্যে গর্ভকালীন ডায়াবেটিস একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেলেও ২৫ বছরের আশপাশের নারীরাও গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে এটি মা ও গর্ভের সন্তানের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠতে পারে।
বয়স ছাড়াও আরও কিছু শারীরিক ও পারিবারিক কারণে এ রোগের আশঙ্কা বাড়ে—
গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে অনেক সময় স্পষ্ট কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। আবার কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা সাধারণ গর্ভাবস্থাতেও হয়ে থাকে—যেমন ঘন ঘন তৃষ্ণা লাগা, বেশি ক্ষুধা অনুভব করা বা বারবার প্রস্রাব হওয়া। তাই কেবল উপসর্গের ওপর নির্ভর না করে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা করানো জরুরি।
ডায়াবেটিস না থাকলেও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি বা একেবারেই শরীরচর্চা না করা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।
সব অন্তঃসত্ত্বা নারীরই নির্দিষ্ট সময়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো উচিত। সময়মতো রোগ শনাক্ত হলে রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়, যা মা ও শিশুকে নানা জটিলতা থেকে রক্ষা করে।
গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকা অত্যন্ত জরুরি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হবে। এতে ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য সমস্যা দ্রুত শনাক্ত করা যায়।
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ধরা পড়লে খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চা ও জীবনযাপনের বিষয়ে বিশেষজ্ঞের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজনে ওষুধ গ্রহণ করতে হতে পারে। রক্তের সুগার কখন ও কীভাবে মাপতে হবে, সে সম্পর্কেও চিকিৎসক পরামর্শ দেবেন।
সাধারণত সন্তান জন্মের পর মায়ের গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সেরে যায়। তবে গর্ভাবস্থায় এটি অনিয়ন্ত্রিত থাকলে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে।
মায়ের ক্ষেত্রে ঝুঁকি
সন্তানের ক্ষেত্রে ঝুঁকি