1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
কসম ভাঙলে ইসলামে কী কাফফারা দিতে হবে - Janatar Jagoron

কসম ভাঙলে ইসলামে কী কাফফারা দিতে হবে

  • সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত
কসম ভঙ্গের কাফফারা

দৈনন্দিন জীবনে রাগ, অভিমান কিংবা আবেগের বশে অনেকেই কোনো কাজ না করা বা কোনো কিছু না খাওয়ার মতো শপথ করে থাকেন। তবে বাস্তব জীবনের নানা পরিস্থিতিতে সেই কসম সবসময় রক্ষা করা সম্ভব হয় না। কখনো পারিবারিক বা সামাজিক কারণে, আবার কখনো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই শপথ ভঙ্গ হয়ে যায়। এমন অবস্থায় ইসলামে এর বিধান কী—এ প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে।

পবিত্র কোরআনে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তিনি অনর্থক শপথের জন্য মানুষকে জবাবদিহির মুখোমুখি করবেন না। তবে যে শপথ সচেতনভাবে ও দৃঢ় সংকল্পের সঙ্গে করা হয়, তা ভঙ্গ করলে কাফফারা আদায় করতে হবে। কাফফারা হিসেবে দশজন মিসকিনকে পরিবারের সদস্যদের মতো মধ্যম মানের খাবার খাওয়ানো, অথবা তাদের প্রত্যেককে পোশাক প্রদান কিংবা একজন গোলাম মুক্ত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর এসবের কোনোটিই সম্ভব না হলে টানা তিন দিন রোজা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোরআনে নিজের শপথ সংরক্ষণেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে। (সুরা মায়িদা: ৮৯)

এ বিষয়ে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিলের মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ গণমাধ্যমকে বলেন, কেউ যদি করা কসম রক্ষা করতে না পারেন এবং তা ভঙ্গ করেন, তাহলে তার ওপর কসম ভঙ্গের কাফফারা ওয়াজিব হবে। তিনি জানান, কাফফারার বিধান অনুযায়ী দশজন মিসকিনকে পেট ভরে দুই বেলা খাবার খাওয়ানো অথবা প্রত্যেককে এক জোড়া পোশাক দেওয়া যাবে। আর যদি এসবের কোনোটি করার সামর্থ্য না থাকে, তাহলে ধারাবাহিকভাবে তিন দিন রোজা রাখতে হবে।

এদিকে ইসলামে রাগ নিয়ন্ত্রণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ রাগের বশে নেওয়া অনেক সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে অনুশোচনার কারণ হতে পারে। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রকৃত শক্তিশালী ব্যক্তি সে নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয়; বরং প্রকৃত বীর সেই ব্যক্তি, যে রাগের সময় নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়। (বোখারি: ৫৭৬৩, মুসলিম: ২৬০৯)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..