বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
চ্যাম্পিয়ন পিএসজি নয়, ইতিহাস লিখল চেলসি এইবার!
অনলাইন ডেস্ক
কে ভেবেছিল, পুরো মৌসুমজুড়ে ঝড় তোলা পিএসজিকে থামিয়ে দেবে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ হওয়া চেলসি! গত দেড় মাসে ইন্টার মিলানকে ৫, অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদকে ৪, বায়ার্ন মিউনিখকে ২ এবং রিয়াল মাদ্রিদকে ৪ গোল দেওয়া ফরাসি ক্লাবটিকে চেলসি থামিয়ে দিল ৩ গোল দিয়ে—নিজেরা একটি গোলও হজম না করে! ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে অনেকেই বিস্ময়ে হতবাক।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শুরুতেই ম্যাচের রঙ বদলে দেয় চেলসি। প্রথমার্ধেই কোল পালমার ২ গোল আর হোয়াও পেদ্রোর একটি, যেটির অ্যাসিস্টও দেন পালমার। এমন নজরকাড়া পারফরম্যান্সে টুর্নামেন্টসেরা নির্বাচিত হয়ে গোল্ডেন বল নিজের করে নেন পালমার। কোয়ার্টারে পালমেইরাসের বিপক্ষে করেন একটি গোল, বেনফিকার বিপক্ষে ছিল একটি দারুণ অ্যাসিস্টও।
গোল না করেও খেলা ঘোরানোর নামই ভিতিনহা। পিএসজির হয়ে অ্যাতলেটিকো, বায়ার্ন, রিয়ালের বিপক্ষে একের পর এক ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। যার পুরস্কার স্বরূপ পেয়েছেন অ্যাডিডাস সিলভার বল। আর চেলসির মইসেস কাইসেডো জিতেছেন ব্রোঞ্জ বল। রানার্সআপ পিএসজির আরও একটি প্রাপ্তি—আক্রমণভাগের প্রাণ দেজিরে দুয়ে হয়েছেন সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়।
চেলসি জয়ী হলেও বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল পিএসজি। তারা নিয়েছে সবচেয়ে বেশি অনটার্গেট শটও। কিন্তু গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজ যেন ছিল অপ্রতিরোধ্য। প্রতিটি শট ঠেকিয়ে ছিনিয়ে নিয়েছেন গোল্ডেন গ্লাভস।
রিয়াল মাদ্রিদ যদিও থেমেছে সেমিফাইনালে, তবে সেখানে তুলে নেওয়া গঞ্জালো গার্সিয়া আলো ছড়িয়েছেন। ‘বি’ দল থেকে উঠে এসে ৬ ম্যাচে ৪ গোল করে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। একই সংখ্যক গোল করলেও কোনো অ্যাসিস্ট না থাকায় পিছিয়ে পড়েন বেনফিকার ডি মারিয়া, ডর্টমুন্ডের সেরহো গুইরাসি ও আল হিলালের মারকোস লিওনার্দো। গার্সিয়ার একমাত্র অ্যাসিস্টই এনে দেয় তাকে শিরোপা।