বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
কাশ্মীরের রক্তে জ্বলছে সীমান্ত, অপারেশন সিন্দুরে কাঁপছে পাকিস্তান
অনলাইন ডেস্ক
ভারতের ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর বিস্ফোরক হামলায় পাকিস্তানে নিহত হয়েছেন দেশটির ১১ সেনাসদস্য এবং আহত হয়েছেন আরও ৭৮ জন। ভয়াল এই আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন সাত নারী ও ১৫ শিশুসহ মোট ৪০ জন বেসামরিক নাগরিক।
সোমবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইএসপিআর জানায়, ভারতের এই সুপরিকল্পিত হামলা প্রতিরোধে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী যখন প্রতিরোধ গড়ে তোলে, তখনই প্রাণ হারান তাদের ১১ সদস্য।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর শহীদদের তালিকায় রয়েছেন নায়েক আবদুল রেহমান, ল্যান্স নায়েক দিলাওয়ার খান, ল্যান্স নায়েক ইকরামুল্লা, নায়েক ওয়াকার খালিদ, সিপাহী মুহাম্মদ আদিল আকবর এবং সিপাহী নিসার।
অপরদিকে, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর যেসব সদস্য ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আঘাতে প্রাণ দিয়েছেন তারা হলেন—স্কোয়াড্রন লিডার উসমান ইউসুফ, চিফ টেকনিশিয়ান আওরঙ্গজেব, সিনিয়র টেকনিশিয়ান নাজিব, কর্পোরাল টেকনিশিয়ান ফারুক এবং সিনিয়র টেকনিশিয়ান মুবাশির।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই শহীদদের আত্মবলিদান সাহস, দায়বদ্ধতা ও দেশের প্রতি অবিচল ভালোবাসার এক অবিনাশী চিহ্ন হয়ে থাকবে জাতির হৃদয়ে।’
আইএসপিআর সতর্ক করে জানায়, ‘পাকিস্তানের ভূখণ্ড কিংবা সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপের যে কোনো প্রচেষ্টা এবার আরও দ্রুত, সর্বাত্মক ও কঠোর জবাব পাবে।’
উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ইসলামাবাদে বিমান হামলা চালায় ভারত। পাল্টা জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘অপারেশন বুনিয়ান-উম-মারসুস’ নামে ব্যাপক আকারে প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান শুরু করে।
চার দিন ধরে চলা টানা সংঘাতের পর অবশেষে শনিবার (১০ মে) দুদেশ যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায় বলে গণমাধ্যমে জানানো হয়।