1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
১.২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! বগুড়ায় পরিমলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

১.২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! বগুড়ায় পরিমলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

  • সর্বশেষ আপডেট: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২০৯ বার পঠিত
১.২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ! বগুড়ায় পরিমলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বগুড়ার সাবেক প্যানেল মেয়রের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট: ১.২৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ!

বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও একসময়কার বিএনপি নেতা পরিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু—অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ, যার পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা!

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের বগুড়া কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান গতকাল সোমবার বগুড়ার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দুদকের আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, দীর্ঘ অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে পরিমল চন্দ্র দাস নিজের ঘোষিত আয়ের বাইরে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন, যা জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

পরিমল চন্দ্র দাস বগুড়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তবে তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর এই অভিযোগ নিয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

মামলার নথি অনুসারে, ২০২২ সালের নভেম্বরে পরিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। পরের বছর দুদক তাঁকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ পাঠায়। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, তিনি ১ কোটি ২৫ লাখ ৯৩ হাজার ৪১৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক।

২০২৩ সালের ১০ ডিসেম্বর দুদকের বগুড়া জেলা কার্যালয়ে সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার পান দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান, যিনি এবার আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করলেন।

পরিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের ফলে বগুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতায় থাকার সময় কীভাবে তিনি এত সম্পদের মালিক হলেন? মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিকেই তাকিয়ে আছেন সবাই।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..