সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন
দেশীয় ঐতিহ্যকে যেভাবে গ্ল্যামারে রূপ দেন সাফিয়া সাথী, তাতে চোখ ফেরানো দায়!
অনলাইন ডেস্ক
দেশীয় শাড়ি, সিল্ক আর জামদানির ভাঁজে লুকিয়ে থাকা গল্পগুলোকে গ্ল্যামার আর গর্জিয়াস লুকে রূপ দিয়েছেন যিনি, তিনি ডিজাইনার সাফিয়া সাথী। পোশাকে নকশার এমন ধারা তৈরি করেছেন, যা দেখলেই বোঝা যায়—এটা তাঁর কাজ! শুধু পোশাক নয়, এর কাটিং, রঙের খেলা, উপকরণের বৈচিত্র্য—সবখানেই তাঁর নিজস্বতার স্পর্শ স্পষ্ট।
বিশেষ করে বিয়ের পোশাক ডিজাইনে তাঁর জাদু যেন নতুন রঙে রাঙিয়ে দেয় ঐতিহ্যকেও। অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর গায়েহলুদের বেগুনি লেহেঙ্গা তার সাম্প্রতিক এক উদাহরণ। প্রশংসা কুড়ানো সেই পোশাকে যেমন ছিল দেশীয় উপকরণের ছোঁয়া, তেমনি ছিল একটি স্টেটমেন্ট—”বিয়ের সাজেও থাকতে পারে শিকড়ের গর্ব।”
তাঁতের শাড়ি ও সিল্ক দিয়ে শুরু হলেও আজ সাফিয়ার কাজের পরিধি অনেক বিস্তৃত। জামদানি, টাঙ্গাইলের শাড়ি, ভারী জারদৌসি কাজ—সব কিছুর মধ্যেই থাকে সময়ের ছোঁয়া, কিন্তু অসাময়িকতার বার্তা। নিজেই বলেন, “একটা পুরোনো সিল্ক শাড়ির সৌন্দর্য যেমন অমলিন, তেমনই আমি চাই আমার ডিজাইনগুলো যুগ পেরিয়েও প্রাসঙ্গিক থাকুক।”
সাফিয়া পোশাক তৈরি করেন আরাম ও আত্মবিশ্বাসকে গুরুত্ব দিয়ে। তাঁর মতে, ‘একটা সুতির শাড়িও দাওয়াতে পরা যায় যদি আত্মবিশ্বাস থাকে।’ তবে ব্র্যান্ড যেহেতু শৌখিন ও বিলাসবহুল দাওয়াতপোশাক তৈরিতে পরিচিত, তাই ফিনিশিং, ফ্যাব্রিক আর প্যাটার্নে থাকে নিখুঁত পরিশ্রমের ছাপ।
বেশির ভাগ সময় অন্যদের সাজালেও নিজের সাজের ক্ষেত্রে সাফিয়া অনেক সাদামাটা। আরামদায়ক ও বড় আকারের ট্রাউজার আর টি-শার্টই তাঁর প্রিয়।
ঋতু, উপলক্ষ ও ব্যক্তিত্ব বুঝে পোশাক বানাতে পারাটা তাঁর বড় শক্তি। দেশীয় উপকরণের এমন আধুনিক ও রাজকীয় ব্যবহারই সাফিয়াকে আলাদা করে তুলেছে আজকের ফ্যাশন দুনিয়ায়।